বৃহস্পতিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতের আধারে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দিরচর (৩) গ্রাম থেকে জহিরুল ইসলাম সরদারের গলাকাটা মৃতদেহ ঘর থেকে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী ও পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আসফাক রাসেল। তবে পরিবারের দাবী পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত ১৬ বছর বয়সী জহিরুল ইসলামের সরদার কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দিরচর গ্রামের কাতার প্রবাসী বারেক সরদারের ছেলে। তিনি সমিতিরহাট মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ওসি ইসতিয়াক আসফাত রাসেল বলেন, জহিরুল ইসলাম সরদার নীজ রুমের বিল্ডিংয়ের এক রুমে থাকতো। প্রতিদিনের মতো রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে যায়। সকালে তার কোন শব্দ না পেয়ে তার মা কোহিনুর বেগম ডাকাডাকি করে। পরে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে জহিরুলের কম্বল দিয়ে ঢাকা মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে স্থানীরা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। জহিরুলের গলায় কোপ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে নিহতের মা কোহিনুর বেগম জানান,আমার ছেলেকে পূর্বপরিকল্পিত নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার স্বামী কাতার প্রবাসী। আমাদের তেমন কোন শত্রু নেই। আমাদের ঘরের তিন রুমের মধ্যে একটব রুমে জহিরুল ঘুমাতো। আমরা কোন সাড়া-শব্দনা পেয়ে। কি কারণে হত্যা করেছে, এখনও বুঝতে পারছি না। তবে যারাই হত্যা কেরেছে। আমি হত্যাকারীদের সর্ব্বোচ্চ বিচার চাই। তবে এলাকার সাধারন মানুষের ধারনা নিহতের মা কোহিনুর বেগমের পরকিয়ার প্রেমের জের হিসেবে এ খুন হতে পারে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম রাসেল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন হত্যার রহস্য তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত খুনিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর





















