০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ফটিকছড়িতে নিজের বিয়ে রুখে দিল নাবালিকা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জরুরী সেবা ৩৩৩ তে ফোন দিয়ে নিজের বিয়ে নিজেই বন্ধ করলো রাহেনা আক্তার নামের ১৫বছরের এক স্কুল পড়ুয়া কিশোরী । তার এমন সাহসিকতাকে অভিনন্দন জানিয়েছে প্রশাসন, শিক্ষক, সহপাটিসহ সচেতন মহল।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার আজিম নগর গ্রামে। শুক্রবার (৪ মার্চ) তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল রাহেনা আক্তারের।

জানা যায়, ওই কিশোরীর নীজ বাড়ি সীতাকুণ্ড। সে সীতাকুণ্ড ছিন্নমুল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৪-৫ দিন আগে বাবার মাধ্যমে জানতে পারে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। তার বাবা তাকে তার অমতে বিয়ে দেয়ার জন্য কিশোরীর নানার বাড়ি ফটিকছড়িতে নিয়ে আসে। উপায় না দেখে, বিয়ে ঠেকাতে কিশোরী জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন দিয়ে সহযোগিতা চাইলে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিয়েটি সাথে সাথেই বন্ধ করে দেয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, মুঠোফোনে জানতে পারি যে এক কিশোরীর অমতে এবং ১৫বছর হওয়ার পরেও তাকে জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল। আমরা সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিয়েটি বন্ধ করেছি। উভয় পরিবারকে বাল্যবিবাহ’র ব্যাপারে বুঝিয়েছি। এ ব্যাপারে কিশোরীর বাবার মুচলেকা নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপার ভূজপুর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, ইউএনও সাহেব সহ গিয়ে আমরা বাল্যবিবাহটি বন্ধ করেছি। এবং উভয় পরিবারকে এ বিষয়ে বুঝিয়েছি। মেয়েটি পড়াশোনা করতে চায়; তাই তাকে পড়ানোর দায়িত্ব প্রশাসন নিয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু

ফটিকছড়িতে নিজের বিয়ে রুখে দিল নাবালিকা

প্রকাশিত : ০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জরুরী সেবা ৩৩৩ তে ফোন দিয়ে নিজের বিয়ে নিজেই বন্ধ করলো রাহেনা আক্তার নামের ১৫বছরের এক স্কুল পড়ুয়া কিশোরী । তার এমন সাহসিকতাকে অভিনন্দন জানিয়েছে প্রশাসন, শিক্ষক, সহপাটিসহ সচেতন মহল।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার আজিম নগর গ্রামে। শুক্রবার (৪ মার্চ) তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল রাহেনা আক্তারের।

জানা যায়, ওই কিশোরীর নীজ বাড়ি সীতাকুণ্ড। সে সীতাকুণ্ড ছিন্নমুল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৪-৫ দিন আগে বাবার মাধ্যমে জানতে পারে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। তার বাবা তাকে তার অমতে বিয়ে দেয়ার জন্য কিশোরীর নানার বাড়ি ফটিকছড়িতে নিয়ে আসে। উপায় না দেখে, বিয়ে ঠেকাতে কিশোরী জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন দিয়ে সহযোগিতা চাইলে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিয়েটি সাথে সাথেই বন্ধ করে দেয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, মুঠোফোনে জানতে পারি যে এক কিশোরীর অমতে এবং ১৫বছর হওয়ার পরেও তাকে জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল। আমরা সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিয়েটি বন্ধ করেছি। উভয় পরিবারকে বাল্যবিবাহ’র ব্যাপারে বুঝিয়েছি। এ ব্যাপারে কিশোরীর বাবার মুচলেকা নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপার ভূজপুর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, ইউএনও সাহেব সহ গিয়ে আমরা বাল্যবিবাহটি বন্ধ করেছি। এবং উভয় পরিবারকে এ বিষয়ে বুঝিয়েছি। মেয়েটি পড়াশোনা করতে চায়; তাই তাকে পড়ানোর দায়িত্ব প্রশাসন নিয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর