০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ২০০ বছরের প্রাচীন বটবৃক্ষ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমিদার রাখাল বাবুর পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সু-প্রাচীন এক বটবৃক্ষ। মমতাময়ী এই বৃক্ষে অজস্র শাখা-প্রশাখা আর শতসহস্র পাতাজুড়ে রয়েছে কালের বিশাল ইতিহাস।

লোকমুখে প্রচলিত প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো বটবৃক্ষ। আর এই বৃক্ষকে ঘিরে রয়েছে নানান গল্প। বটবৃক্ষের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি গল্প শুনেও আনন্দ পাওয়া যায়। এখনো এলাকার বয়োবৃদ্ধদের কাছে শুনা যায় এর ইতিহাস।

ঈশ্বরগঞ্জে ধীতপুর দক্ষিণের বাজার নামে বেশ পরিচিত এলাকাটি। জমিদার শাসন আমলে রাখাল বাবু শাসন করতেন এলাকাটি। এখনো পুরাতন দালানকোঠা দেখা যায় বাজারের পাশে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমরা এই বটগাছের কথা আমার বাবার কাছে শুনেছি। দিনের বেলায় তাদেরকে গাছের আশে পাশে আসতে দিত না। কিন্তু এখন দিন রাত বলতে কোন কথা নেই, সারা রাত মানুষের যাতায়াত থাকে। কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।

বর্তমানে ধীতপুর দক্ষিণের বাজারে এই বট গাছকে ঘিরে প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। জনসমাগম বেড়েছে। সাপ্তাহিক হাট বসে। তারপরও গাছটি নিয়ে কোন জটিলতা নেই।

বিশাল এই বট গাছের সৌন্দর্যে যে কেউ মোহিত হবে। গাছটি নিয়ে কথা বলতেই ধীরে ধীরে মানুষের জমায়েত শুরু হয়। তারা এই গাছের কথা বাবার কাছে আবার অনেকেই তার দাদার কাছে শুনেছে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে গাছটির পরিচর্যা করে থাকেন। ইতিহাস ধরে রাখতে গাছটিকে জিইয়ে রাখতে হবে বলে জানান তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ২০০ বছরের প্রাচীন বটবৃক্ষ

প্রকাশিত : ০৫:০৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমিদার রাখাল বাবুর পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সু-প্রাচীন এক বটবৃক্ষ। মমতাময়ী এই বৃক্ষে অজস্র শাখা-প্রশাখা আর শতসহস্র পাতাজুড়ে রয়েছে কালের বিশাল ইতিহাস।

লোকমুখে প্রচলিত প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো বটবৃক্ষ। আর এই বৃক্ষকে ঘিরে রয়েছে নানান গল্প। বটবৃক্ষের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি গল্প শুনেও আনন্দ পাওয়া যায়। এখনো এলাকার বয়োবৃদ্ধদের কাছে শুনা যায় এর ইতিহাস।

ঈশ্বরগঞ্জে ধীতপুর দক্ষিণের বাজার নামে বেশ পরিচিত এলাকাটি। জমিদার শাসন আমলে রাখাল বাবু শাসন করতেন এলাকাটি। এখনো পুরাতন দালানকোঠা দেখা যায় বাজারের পাশে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমরা এই বটগাছের কথা আমার বাবার কাছে শুনেছি। দিনের বেলায় তাদেরকে গাছের আশে পাশে আসতে দিত না। কিন্তু এখন দিন রাত বলতে কোন কথা নেই, সারা রাত মানুষের যাতায়াত থাকে। কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।

বর্তমানে ধীতপুর দক্ষিণের বাজারে এই বট গাছকে ঘিরে প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। জনসমাগম বেড়েছে। সাপ্তাহিক হাট বসে। তারপরও গাছটি নিয়ে কোন জটিলতা নেই।

বিশাল এই বট গাছের সৌন্দর্যে যে কেউ মোহিত হবে। গাছটি নিয়ে কথা বলতেই ধীরে ধীরে মানুষের জমায়েত শুরু হয়। তারা এই গাছের কথা বাবার কাছে আবার অনেকেই তার দাদার কাছে শুনেছে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে গাছটির পরিচর্যা করে থাকেন। ইতিহাস ধরে রাখতে গাছটিকে জিইয়ে রাখতে হবে বলে জানান তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর