০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

নবীনগরে ধনিয়া চাষে বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা

নবীনগরে ধনিয় চাষে বাম্পার ফলন আশা করছেন কৃষকরা, তাদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। গত বছর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং অতিবৃষ্টির কারণে ধনিয়া চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হন কৃষকরা। এ বছর ভালো ফলন হলে গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৬১০ হেক্টর জমিতে ধনিয়া চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার ২১টি ইউনিয়নেই কম-বেশি ধনিয়া চাষ হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইউনিয়ন গুলো হল শ্রীরামপুর, শ্যামগ্রাম, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ, নবীনগর (প.), সাতমোড়া ও রতনপুর। ইউনিয়নে রতনপুর গ্রামের ধনিয়া চাষী সহিদ মিয়া বলেন, “ এ বছর আমি এক কানি জমিতে ধনিয়া চাষ করেছি। গত বছর ধনিয়া চাষ করতে গিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনেক লোকসান হয়েছে। এ বছর ধনিয়ার ফলন ভাল হবে। আশা করছি গত বছরের লোকসান এ বছর পুষিয়ে নিতে পারব। কিন্তু আমরা প্রকৃত দাম পাচ্ছি না”। আরেক ধনিয়া চাষি খলিল মিয়া বলেন, “ আমরা গরিব কৃষক, গত বছর ধনিয়া চাষ করে অতিবৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে লোকসান হয়েছে। এ বছর ধনিয়ার ফলন ভাল হবে, বাজার মূল্য ও ভাল পাব বলে আশা করি”। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার জগলুল হায়দার বলেন, “এ বছর ধনিয়ার আবাদ ভাল হবে বলে আশা করি। যে পরিমাণ ধনিয়া চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম তার চাইতেও বেশি চাষ হয়েছে। আশা করছি গত বছরের ক্ষতি এ বছর কৃষকেরা পুষিয়ে নিতে পারবেন”।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

নবীনগরে ধনিয়া চাষে বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা

প্রকাশিত : ০৪:২০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ ২০২২

নবীনগরে ধনিয় চাষে বাম্পার ফলন আশা করছেন কৃষকরা, তাদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। গত বছর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং অতিবৃষ্টির কারণে ধনিয়া চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হন কৃষকরা। এ বছর ভালো ফলন হলে গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৬১০ হেক্টর জমিতে ধনিয়া চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার ২১টি ইউনিয়নেই কম-বেশি ধনিয়া চাষ হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইউনিয়ন গুলো হল শ্রীরামপুর, শ্যামগ্রাম, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ, নবীনগর (প.), সাতমোড়া ও রতনপুর। ইউনিয়নে রতনপুর গ্রামের ধনিয়া চাষী সহিদ মিয়া বলেন, “ এ বছর আমি এক কানি জমিতে ধনিয়া চাষ করেছি। গত বছর ধনিয়া চাষ করতে গিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনেক লোকসান হয়েছে। এ বছর ধনিয়ার ফলন ভাল হবে। আশা করছি গত বছরের লোকসান এ বছর পুষিয়ে নিতে পারব। কিন্তু আমরা প্রকৃত দাম পাচ্ছি না”। আরেক ধনিয়া চাষি খলিল মিয়া বলেন, “ আমরা গরিব কৃষক, গত বছর ধনিয়া চাষ করে অতিবৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে লোকসান হয়েছে। এ বছর ধনিয়ার ফলন ভাল হবে, বাজার মূল্য ও ভাল পাব বলে আশা করি”। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার জগলুল হায়দার বলেন, “এ বছর ধনিয়ার আবাদ ভাল হবে বলে আশা করি। যে পরিমাণ ধনিয়া চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম তার চাইতেও বেশি চাষ হয়েছে। আশা করছি গত বছরের ক্ষতি এ বছর কৃষকেরা পুষিয়ে নিতে পারবেন”।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর