দ্বায় কার এলাকার উন্নয়ন ন্বিঃসন্দেহে মানুষের মনে আস্থা যোগায়, কিন্তু নদী খননের কারনে নদীর সেতু ভেঙ্গে যাবে কোন মানুষ কামনা করেনা। নীলফামারীর নদী খননের ফলে এমন ঘটনাই ঘটেছে ডোমারে।কলমদার নদীর ৫ সেতু মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে।বর্তমানে প্রতিটি ব্রীজ চলাচলের অনুপযোগী, বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে পন্য নিয়ে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা। ব্রীজগুলো ডোমার উপজেলার সোনরায় ইউনিয়নের কলমদার ঝাড়ের সিন্নি নামক স্থানে ১টি ব্রীজ, হরিনচড়া ইউনিয়নের একই নদীর মধ্যে ধরনীগঞ্জ হাটের পাশেই দুইটি ব্রীজ, লীলাহাটি বাজারের পাশেই একটি ব্রীজ, এবং শালমারা গ্রামের তেলিপাড়ায় ২০১৫/১৬অর্থ বৎসরে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৫৬ লক্ষ ৮৯ হাজার একশত ৬ টাকা ব্যায়ে ৬০ ফিট সেতু নির্মান করে। বিগত ২০১৯/২০ অর্থ বৎসরে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী খনন করে যার ফলে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্রীজ গুলো। বর্ষা মৌসুমে বন্যায় পানির তীব্রস্রোতে বালুসরে গিয়ে দেখা দিয়েছে ব্রীজের ভাঙ্গনও পিলারের রড, বেজ ঢালাইয়ের নিচে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। মানুষ চলাচল করে ভয়ে ভয়ে শালমারা, হংসরাজ ও হরিহাড়া গ্রামের মেম্বার বনমালী চন্দ্র রায়, নরেশ চন্দ্র রায়, আঃ করিম ইসলাম জানান, উন্নয়নের সুফল মানুষ সবাই পেতে চাই কিন্তু নদী খননের কারনে ব্রীজ ধংস হচ্ছে মানুষ এমন চায়না, এ দ্বায় কার, নদীপাড়ের মানুষ মনোরঞ্জন রায়, শিক্ষক হরিপদ রায় জানান কষ্টদুর করার জন্যই ব্রীজগুলো নির্মান করা হয়েছিল, খননের ৫ বৎসরের ব্যবধানে ব্রীজ ভেঙ্গেগেল, ব্রীজ গুলো এখন কেউ দেখতে আসেনা এলাকা বাসীর দাবী দ্রুত ব্রীজ গুলোর মেরামত করা হোক, না করলে এবারে বন্যা মৌসুমে সব ভেঙ্গেযেতে পারে। ব্রীজ গুলো দিয়ে গর্ভবতী রোগীর এ্যম্বুলেন্স, ভ্যান গাড়ী, হংসরাজ বালিকা দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়, হরিহাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধরনীগঞ্জহাট, সোনারায়, চওড়া, সোনারায় সহ কয়েক ইউনিয়ন, স্কুল কলেজের শত শত ছাত্র ছাত্রী সহ লক্ষাধিক মানুষের ব্রীজগুলোই একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। এ বিষয়ে কথাহলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন নদীর মধ্যে অগভীর ফাউন্ডেশন ব্রীজ হবেনা, গভীর ফাইন্ডেশন ব্রীজ করতে হবে, তাহলেই স্থায়িত্ব হবে। প্লান মাফিক খনন কালে ব্রীজ হতে ত্রিশ হতে চল্লিশ ফিট দুরত্ব রেখেই নদী খনন করা হয়েছিল। প্রকল্প প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয় হীনতার কারনে সরকারের কিছু কিছু প্রজেক্ট এই সমস্যা। উপজেলা প্রকৌশলী মোস্তাক আহমেদ বলেন ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়া চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বলেন, আমার পুর্বের কর্মকর্তার সময় কালে সেতু নির্মান করা হয়েছিল সে সময় আমি এখানে ছিলাম না।উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ হরিনচড়া, সোনরায় ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল রানা, ফিরোজ চৌধুরী বলেন এলাকার মানুষের কষ্ট দুরভোগের কথা ভেবে, এমপি মহোদয়ের কাছে ব্যবস্থা গ্রহন করার আবেদন করেছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















