ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আঁখিতারা তিয়োরকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে রান্না করার লাকড়ি স্তুপ রয়েছে।
কিন্তু উপজেলার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে শিক্ষক স্বল্পতা। উপজেলা থেকে দূরের বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষকরা থাকতে চায়না, তারা কোনো না কোনো ভাবে বদলি নিয়ে অথবা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্যত্র সুবিধা মতো যায়গায় চলে যায়। আর শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামের কোমলমতি শিশুরা।
অনেক যায়গায় ঠিকমতো পাঠদান দিতে পারছেনা শিক্ষক স্বল্পতার কারনে। আর এইজন্য অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পরছে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই। কোন কোন বিদ্যালয় চলছে ২-৩ জন শিক্ষক দিয়ে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আঁখিতারা তিয়োরকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়ামত উল্লাহ কবির এর পূর্ব ও পশ্চিম পাশের কক্ষে রান্নার কাঠের স্তুপ করে রাখা আছে। একটি কক্ষে প্রধান শিক্ষক নিজেই রান্নার কাঠের স্তুপ রেখেছেন এবং অন্য কক্ষে বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির হানিফ নামের এক ব্যক্তি স্তুপ করে রেখেছেন।
পূর্ব পাশের কক্ষটি তালা দিয়ে রাখা ছিল। প্রধান শিক্ষকের কাছে কক্ষের চাবি চাইলে তিনি প্রথম চাবি উনার কাছে নেই বলে অস্বীকার করেন সংবাদকর্মীদের কাছে। এক পর্যায়ে তিনি সহকারি শিক্ষক কে দিয়ে কক্ষটি খুলে দেয়।
বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির হানিফ বলেন, লাকড়ি সব আমার না, হেড মাষ্টার স্যারের আছে পূবের রুমে আমার টি আমি সরাইয়া নিয়া জামু। স্যার স্কুলের গাছ কাইটা লাকড়ি বানাইয়া রাখছে বাড়িতে নিবো।
এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়ামত উল্লাহ কবির বলেন, ওই লাকড়ি আমার না এই গুলো পার্শ্ববর্তী বাড়ির। কক্ষ গুলো পরিত্যক্ত বিধায় তারা এগুলো এখানে রেখেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে নিতে বলেছি নিয়ে যাবে।
এ ব্যপারে সরাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের কক্ষে লাকড়ি রাখছেন। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















