জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনধারণ যখন ছিল ঝুঁকিপূর্ন ঠিক তখনই ২০০৪ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে র্যাব ফোর্সেস প্রতিষ্ঠার পর র্যাব ফোর্সেস জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ অপরাধ দমন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে মাদকের বিস্তাররোধেও র্যাব ফোর্সেস গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকে রেখেছে।অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অনবদ্য ভূমিকার জন্য র্যাব এখন সাধারণ মানুষের নিকট আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক।
র্যাব ফোর্সেস ৮ টি বাহিনী ও সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস এলিট ফোর্স যেখানে বিভিন্ন বাহিনী থেকে আগত সদস্যরা একটি নির্দিষ্ট সময় সেবা প্রদান করে নিজ বাহিনীতে গমন করেন। র্যাবের এই সম্মিলিত কার্যক্রমকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে সকল র্যাব সদস্যদের জন্য একটি ‘ইনসিগনিয়া’ বিগত ২১ মার্চ ২০২২ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয় যা প্রতিটি সদস্য আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক পোশাকের সাথে পরিধান করতে পারবেন। সকল র্যাব সদস্যদের জন্য এই ইনসিগনিয়াটি অনন্য সম্মান ও গৌরব প্রতীক।
২৮ মার্চ ২০২২ ইং সোমবার র্যাবের ১৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এমপি র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম(বার), পিপিএম কে র্যাবের ইনসিগনিয়া ব্যাজ পরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে র্যাবের নতুন এই ইনসিগনিয়া এর উদ্বোধন করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















