১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাউদ হাসান এই রায় দেন।

রায়ে দণ্তিদের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

দণ্ডিতরা হচ্ছেন, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়বদনাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাম মন্ডলের ছেলে সামছুল ইসলাম (৩৫), লুৎফর রহমানের ছেলে লাভু মিয়া (২৮), একই উপজেলার ঘাসিপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মফিজুল ইসলাম (২৫), হাসানপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে স্বাধীন (২৮), দিনাজপুরের ঘোরাঘাট উপজেলার গুন্দারামপুর গ্রামের আব্দুর রশীদের ছেলে শামীম ওরফে মশিউর (২৮) ও গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার তীলকপাড়া গ্রামের শফি মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (১৯)।

মামলার প্রধান আসামী গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার বড়গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে সাদা মিয়া (২৭) মামলা চলাকালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে দণ্ডিতরা মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি পিকআপ ভ্যানযোগে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় টহল পুলিশ তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাঙ্গাইল, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় গাছ ফেলে যানবাহনে ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ওইদিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা চলাকালে দণ্ডিতরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

টাঙ্গাইলে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৮:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২

টাঙ্গাইলে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাউদ হাসান এই রায় দেন।

রায়ে দণ্তিদের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

দণ্ডিতরা হচ্ছেন, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়বদনাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাম মন্ডলের ছেলে সামছুল ইসলাম (৩৫), লুৎফর রহমানের ছেলে লাভু মিয়া (২৮), একই উপজেলার ঘাসিপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মফিজুল ইসলাম (২৫), হাসানপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে স্বাধীন (২৮), দিনাজপুরের ঘোরাঘাট উপজেলার গুন্দারামপুর গ্রামের আব্দুর রশীদের ছেলে শামীম ওরফে মশিউর (২৮) ও গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার তীলকপাড়া গ্রামের শফি মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (১৯)।

মামলার প্রধান আসামী গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার বড়গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে সাদা মিয়া (২৭) মামলা চলাকালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে দণ্ডিতরা মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি পিকআপ ভ্যানযোগে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় টহল পুলিশ তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাঙ্গাইল, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় গাছ ফেলে যানবাহনে ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ওইদিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা চলাকালে দণ্ডিতরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর