০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সরাইলে মেঘনা ভাঙনের কবলে চাতালমিলসহ শতাধিক পরিবার

চলতি বছরের বর্ষার শুরুতেই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের মেঘনার তীরবর্তী ১৭টি চাতাল মিলসহ পালপাড়া, শাখাইতি, দেওবাড়িয়া, লায়েরহাটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে বসতবাড়ি ছাড়া হয়ে পরিবার নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে কয়েকশত পরিবার ও বেকার হয়ে গেছে চাতালমিলের শ্রমিকরা।

রবিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে,
মেঘনার তীরের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকায় আরো শতাধিক পরিবার ও চাতালমিল ভাঙন আতংকে রয়েছে। অন্যান্য বছরের মত চলতি বছরের বর্ষার শুরুতেই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার মেঘনার তীরবর্তী পানিশ্বর ইউনিয়নের ৮টি পরিবারের বসতভিটা ও প্রায় ৫ একর জমির ধানসহ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ওসমান গণি চেীধুরী, ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, কয়েক বছরে নদীর তীরবর্তী ১৭টি চাতালমিল সহ পালপাড়া, শাখাইতি, দেওবাড়িয়া, লায়েরহাটি গ্রামের বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙন রোধ করতে না পারলে অচিরেই পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, বাজার ও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৪টি গ্রাম পুরোপুরি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। নদীর ভাঙন ঠেকানোর জন্য নদীর মাঝামাঝিতে খনন করা এবং বামতীর রক্ষার জন্য স্থায়ী বেড়িবাধ নিমার্ণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি জানাই।

পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বছর বর্ষার শুরুতেই লায়েরহাটির ৮টি পরিবার সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সহযোগিতা ও নদী ভাঙন থেকে এলাকা রক্ষা করার জন্য সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

সরাইলে মেঘনা ভাঙনের কবলে চাতালমিলসহ শতাধিক পরিবার

প্রকাশিত : ০৭:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

চলতি বছরের বর্ষার শুরুতেই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের মেঘনার তীরবর্তী ১৭টি চাতাল মিলসহ পালপাড়া, শাখাইতি, দেওবাড়িয়া, লায়েরহাটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে বসতবাড়ি ছাড়া হয়ে পরিবার নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে কয়েকশত পরিবার ও বেকার হয়ে গেছে চাতালমিলের শ্রমিকরা।

রবিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে,
মেঘনার তীরের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকায় আরো শতাধিক পরিবার ও চাতালমিল ভাঙন আতংকে রয়েছে। অন্যান্য বছরের মত চলতি বছরের বর্ষার শুরুতেই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার মেঘনার তীরবর্তী পানিশ্বর ইউনিয়নের ৮টি পরিবারের বসতভিটা ও প্রায় ৫ একর জমির ধানসহ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ওসমান গণি চেীধুরী, ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, কয়েক বছরে নদীর তীরবর্তী ১৭টি চাতালমিল সহ পালপাড়া, শাখাইতি, দেওবাড়িয়া, লায়েরহাটি গ্রামের বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙন রোধ করতে না পারলে অচিরেই পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, বাজার ও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৪টি গ্রাম পুরোপুরি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। নদীর ভাঙন ঠেকানোর জন্য নদীর মাঝামাঝিতে খনন করা এবং বামতীর রক্ষার জন্য স্থায়ী বেড়িবাধ নিমার্ণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি জানাই।

পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বছর বর্ষার শুরুতেই লায়েরহাটির ৮টি পরিবার সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সহযোগিতা ও নদী ভাঙন থেকে এলাকা রক্ষা করার জন্য সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর