০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ছেলে কাতরাচ্ছেন হাসপাতালে, মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের অগ্নিদগ্ধ এক তরুণকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পেরেছেন তার মা-বাবা। কিন্তু ছেলেকে দেখার জন্য বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।

মা-বাবা জানেনও না কোন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ছেলেকে। ভিডিওটি দেখে শুধু আহাজারি করছেন তারা।

পুটিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, ছেলেটির নাম আল-আমিন (২২)। তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের বাসিন্দা। আল-আমিন পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সে ২য়। সম্প্রতি ফাহিম ও রাজিব নামে দুই বন্ধুর সঙ্গে কনটেইনার ডিপোতে গিয়ে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রাতে শুধু আল অমিনের ডিউটি ছিল। দুই বন্ধু দিনের ডিউটি করে বাসায় চলে গিয়েছিলেন।

মা সুজেনা বেগম জানান, ডিপোতে বিস্ফোরণ-অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই আল-আমিন নিখোঁজ ছিলো। রোববার রাতে স্থানীয় এক যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দগ্ধ অবস্থায় আল আমিনকে দেখতে পান। ভিডিওটি দেখে আমার সন্তানকে চিনতে পারি।

পুটিজুরী ইউনিয়ন সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, ছেলেকে দেখার জন্য বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। কিন্তু ভাড়ার টাকা না থাকায় যেতে পারেননি।

আল আমিনের বাবা সেফু মিয়া জানান, আগুন লাগার পরপরই আল আমিন তার চাচা ফজলু মিয়ার মুঠোফোনে কল দিয়েছিলেন। তবে আগুন লেগে যাওয়ার খবর জানানোর পরক্ষণেই মুঠোফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে আর যোগাযোগ হয়নি।

পুটিজুরী ইউপি চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী বলেন, আল আমিনের পরিবারের সদস্যরা টাকার অভাবে চট্টগ্রামে যেতে পারছেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের সহযোগিতা করবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

ছেলে কাতরাচ্ছেন হাসপাতালে, মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা

প্রকাশিত : ০৫:২২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুন ২০২২

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের অগ্নিদগ্ধ এক তরুণকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পেরেছেন তার মা-বাবা। কিন্তু ছেলেকে দেখার জন্য বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।

মা-বাবা জানেনও না কোন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ছেলেকে। ভিডিওটি দেখে শুধু আহাজারি করছেন তারা।

পুটিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, ছেলেটির নাম আল-আমিন (২২)। তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের বাসিন্দা। আল-আমিন পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সে ২য়। সম্প্রতি ফাহিম ও রাজিব নামে দুই বন্ধুর সঙ্গে কনটেইনার ডিপোতে গিয়ে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রাতে শুধু আল অমিনের ডিউটি ছিল। দুই বন্ধু দিনের ডিউটি করে বাসায় চলে গিয়েছিলেন।

মা সুজেনা বেগম জানান, ডিপোতে বিস্ফোরণ-অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই আল-আমিন নিখোঁজ ছিলো। রোববার রাতে স্থানীয় এক যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দগ্ধ অবস্থায় আল আমিনকে দেখতে পান। ভিডিওটি দেখে আমার সন্তানকে চিনতে পারি।

পুটিজুরী ইউনিয়ন সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, ছেলেকে দেখার জন্য বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। কিন্তু ভাড়ার টাকা না থাকায় যেতে পারেননি।

আল আমিনের বাবা সেফু মিয়া জানান, আগুন লাগার পরপরই আল আমিন তার চাচা ফজলু মিয়ার মুঠোফোনে কল দিয়েছিলেন। তবে আগুন লেগে যাওয়ার খবর জানানোর পরক্ষণেই মুঠোফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে আর যোগাযোগ হয়নি।

পুটিজুরী ইউপি চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী বলেন, আল আমিনের পরিবারের সদস্যরা টাকার অভাবে চট্টগ্রামে যেতে পারছেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের সহযোগিতা করবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর