০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ভায়রার আমৃত্যু এবং শ্যালিকাসহ চারজনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে মনিরুজ্জামান নামক এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তার ভয়রাকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং শ্যালিকাসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ মাসুদ পারভেজ এই রায় দেন। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে কারাদÐের কথা রায়ে বলা হয়েছে।

আমৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত হচ্ছেন, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মোঃ শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজা। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন, আমৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইলের কাউলজানি গ্রামের আবু বক্কর ভ‚ইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভ‚ইয়া ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিনদিন পর পাশ্ববর্তী মহেশখালি গ্রামের জমির আইল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের গায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ ছিল। ওই বছর ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভ‚ইয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এই হত্যার সাথে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালীকা আলো বেগমসহ দন্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালিন উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দন্ডিত আসামীদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষনার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দন্ডিত রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ভায়রার আমৃত্যু এবং শ্যালিকাসহ চারজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০২২

টাঙ্গাইলে মনিরুজ্জামান নামক এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তার ভয়রাকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং শ্যালিকাসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ মাসুদ পারভেজ এই রায় দেন। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে কারাদÐের কথা রায়ে বলা হয়েছে।

আমৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত হচ্ছেন, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মোঃ শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজা। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন, আমৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইলের কাউলজানি গ্রামের আবু বক্কর ভ‚ইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভ‚ইয়া ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিনদিন পর পাশ্ববর্তী মহেশখালি গ্রামের জমির আইল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের গায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ ছিল। ওই বছর ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভ‚ইয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এই হত্যার সাথে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালীকা আলো বেগমসহ দন্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালিন উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দন্ডিত আসামীদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষনার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দন্ডিত রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর