০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সঙ্কট॥ভোগান্তিতে লাখো গ্রাহক!

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে রয়েছেন লাখো বৈধ আবাসিক গ্রাহক । বৈধ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, মাসে মাসে সরকারের দেয়া নিধারিত বিল পরিশোধ করে আসছেন তারা। কিন্তু গত পাচঁ দিন ধরে তাদের চুলা জলছেনা। চলছেনা খাওয়া-দাওয়া। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এসকল আবাসিক গ্রাহকদের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেউ টিন কেটে চুলা বানিয়ে তাতে লাকরি দিয়ে, কেউবা আবার মাটির চুলায় কষ্ট করে রান্না-বান্নার কাজ শেষ করছেন। কিন্তু মাটির চুলায় রান্না করে অনেকেরই আবার কমস্থলে যেতে হচ্ছে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পরে। কিছু এলাকায় ভোর সকালে নিভু-নিভু গ্যাস থাকলেও তাতে হাড়িও গরম হয়না বলে জানান গৃহিণীরা। অনেকেরই খাওয়া দাওয়া করতে হচ্ছে হোটেলে। ভুলতা এলাকার আবাসিক গ্রাহক আমিরুন বেগম বলেন, আজ পাচঁদিন যাবৎ গ্যাস নেই। রান্না বান্না একদমি বন্ধ হোটেল থেকে খাবার এনে খাওয়া দাওয়া করছি। এভাবেই কয়দিন গ্যাস থাকবেনা তা জানিনা। গ্যাস না থাকায় আমার দুই বছরের শিশুর বেশি সমস্যা হচ্ছে । কোন রকম লেকটোজেন দুধ খাইয়ে রাখছি তাকে। গতকাল একটি মাটির চুলা তৈরি করেছি কিন্তু অতি বৃষ্টির কারনে লাকরি দিয়ে রান্না করতেও সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সময়ে গ্যাস না দিলে আমরা আরো ভোগান্তিতে পড়বো।
ভায়েলা এলাকার আবাসিক গ্রাহক নাজমুন নাহার বেগম বলেন, আমি সরকারের একজন বৈধ গ্রাহক। প্রতি মাসে মাসে নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করি। কিন্তু গত পাচঁদিন ধরে গ্যাস বন্ধ থাকায় আমার ছেলে মেয়ে নিয়ে পড়েছি বিপাকে। বাচ্চারা সকালে স্কুলে যায় তাদের ঠিকমতো রান্না করে খাওয়াতে পারছিনা। দুইদিন টানা হোটেল থেকে খাবার এনে বাচ্চাদের নিয়ে খেয়েছি। এর পরদিন থেকে টিন কেটে চুলা বানিয়ে লাকরি দিয়ে রান্না বান্নার কাজ করছি। দ্রুত গ্যাস না দিলে আমাদের ভোগান্তি আরো বাড়বে।
এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস সোনারগাঁও আঞ্চলিক শাখার ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মিজবাহ-উর রহমানের মোবাইল ফোনে অসংখ্যবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সঙ্কট॥ভোগান্তিতে লাখো গ্রাহক!

প্রকাশিত : ০৭:০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে রয়েছেন লাখো বৈধ আবাসিক গ্রাহক । বৈধ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, মাসে মাসে সরকারের দেয়া নিধারিত বিল পরিশোধ করে আসছেন তারা। কিন্তু গত পাচঁ দিন ধরে তাদের চুলা জলছেনা। চলছেনা খাওয়া-দাওয়া। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এসকল আবাসিক গ্রাহকদের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেউ টিন কেটে চুলা বানিয়ে তাতে লাকরি দিয়ে, কেউবা আবার মাটির চুলায় কষ্ট করে রান্না-বান্নার কাজ শেষ করছেন। কিন্তু মাটির চুলায় রান্না করে অনেকেরই আবার কমস্থলে যেতে হচ্ছে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পরে। কিছু এলাকায় ভোর সকালে নিভু-নিভু গ্যাস থাকলেও তাতে হাড়িও গরম হয়না বলে জানান গৃহিণীরা। অনেকেরই খাওয়া দাওয়া করতে হচ্ছে হোটেলে। ভুলতা এলাকার আবাসিক গ্রাহক আমিরুন বেগম বলেন, আজ পাচঁদিন যাবৎ গ্যাস নেই। রান্না বান্না একদমি বন্ধ হোটেল থেকে খাবার এনে খাওয়া দাওয়া করছি। এভাবেই কয়দিন গ্যাস থাকবেনা তা জানিনা। গ্যাস না থাকায় আমার দুই বছরের শিশুর বেশি সমস্যা হচ্ছে । কোন রকম লেকটোজেন দুধ খাইয়ে রাখছি তাকে। গতকাল একটি মাটির চুলা তৈরি করেছি কিন্তু অতি বৃষ্টির কারনে লাকরি দিয়ে রান্না করতেও সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সময়ে গ্যাস না দিলে আমরা আরো ভোগান্তিতে পড়বো।
ভায়েলা এলাকার আবাসিক গ্রাহক নাজমুন নাহার বেগম বলেন, আমি সরকারের একজন বৈধ গ্রাহক। প্রতি মাসে মাসে নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করি। কিন্তু গত পাচঁদিন ধরে গ্যাস বন্ধ থাকায় আমার ছেলে মেয়ে নিয়ে পড়েছি বিপাকে। বাচ্চারা সকালে স্কুলে যায় তাদের ঠিকমতো রান্না করে খাওয়াতে পারছিনা। দুইদিন টানা হোটেল থেকে খাবার এনে বাচ্চাদের নিয়ে খেয়েছি। এর পরদিন থেকে টিন কেটে চুলা বানিয়ে লাকরি দিয়ে রান্না বান্নার কাজ করছি। দ্রুত গ্যাস না দিলে আমাদের ভোগান্তি আরো বাড়বে।
এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস সোনারগাঁও আঞ্চলিক শাখার ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মিজবাহ-উর রহমানের মোবাইল ফোনে অসংখ্যবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ