১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বন্যা নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিলেট বিভাগের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও বন্যাদুর্গতদের পুর্নবাসন নিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুন) সিলেট সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তা দেওয়া হবে। সরকার ও বিরোধীদল সব অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ সবার আগে দুর্গত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে যায়।’

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে এই বন্যা-প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচার মানসিকতা থাকতে হবে। সে কারণে আমাদের অবকাঠামোগত যত উন্নয়ন হবে সেগুলো মাথায় রেখে করতে হবে।’

‘‘আমি আগে থেকেই আমার কার্যালয়ে বন্যার বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য বলে রেখেছিলাম। প্রায় এক-দেড় মাস আগে থেকেই সবাইকে বলতাম, এবার খুব বড় একটা বন্যা আসবে, প্রস্তুতি নিতে। প্রাকৃতিক একটা পরিস্থিতি দেখে আন্দাজ করা যায়। সেটা দেখেই আমি সবসময় বলছি, এবার বড় বন্যা আসবে।’’

সেসময় ৯৮ এবং ৮৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিন জেলা পরিদর্শনে রওনা হন।

হেলিকপ্টার থেকে প্রথমে নেত্রকোণা, তারপর সুনামগঞ্জ ও সবশেষে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘লো ফ্লাই মুড’ বা নিচু হয়ে উড়বে, যাতে দুর্গত এলাকার অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখতে পান সরকারপ্রধান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের সূচি প্রকাশ দক্ষিণ আফ্রিকার

বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:৪০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

বন্যা নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিলেট বিভাগের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও বন্যাদুর্গতদের পুর্নবাসন নিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুন) সিলেট সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তা দেওয়া হবে। সরকার ও বিরোধীদল সব অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ সবার আগে দুর্গত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে যায়।’

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে এই বন্যা-প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচার মানসিকতা থাকতে হবে। সে কারণে আমাদের অবকাঠামোগত যত উন্নয়ন হবে সেগুলো মাথায় রেখে করতে হবে।’

‘‘আমি আগে থেকেই আমার কার্যালয়ে বন্যার বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য বলে রেখেছিলাম। প্রায় এক-দেড় মাস আগে থেকেই সবাইকে বলতাম, এবার খুব বড় একটা বন্যা আসবে, প্রস্তুতি নিতে। প্রাকৃতিক একটা পরিস্থিতি দেখে আন্দাজ করা যায়। সেটা দেখেই আমি সবসময় বলছি, এবার বড় বন্যা আসবে।’’

সেসময় ৯৮ এবং ৮৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিন জেলা পরিদর্শনে রওনা হন।

হেলিকপ্টার থেকে প্রথমে নেত্রকোণা, তারপর সুনামগঞ্জ ও সবশেষে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘লো ফ্লাই মুড’ বা নিচু হয়ে উড়বে, যাতে দুর্গত এলাকার অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখতে পান সরকারপ্রধান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ