ঢাকা দুপুর ১:১৮, শনিবার, ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বন্যা আরো অবনতি, ৬ হাজার হেক্টর ফসলী জমি নিমজ্জিত

টাঙ্গাইলে বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে। বর্তমানে যমুনাসহ তিন নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়াও জেলায় ৭টি উপজেলার ৬ হাজার ৩শ’ হেক্টর ফসলী জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ী পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, বাসাইল, নাগরপুর, কালিহাতী, ভুঞাপুর, গোপালপুরসহ ৭টি উপজেলায় আউশ, পাট, সবজি, তিল, বুনা আমনের প্রায় ৬ হাজার ৩শ’ হেক্টর ফসলী জমি নিমজ্জিত হয়েছে। পানি আরো বৃদ্ধি পেলে নিমজ্জিত ফসলের জমির পরিমানও বাড়বে।

কৃষি সম্প্রসাধরণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার বলেন, যদি এক সপ্তারের মধ্যে পানি নেমে যায় তাহলে আংশিক ক্ষতি হবে। তবে পানি সরে গেলে সঠিক ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতা করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছ। কিছু কিছু এলাকায় নদী ভাঙনও দেখা দিয়েছে। যেসব জায়গায় কাজ করা প্রয়োজন তা করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

এ বিভাগের আরও সংবাদ