সাম্প্রতিক সময়ে ১১৬ জন ধর্মীয় বক্তা আলেমের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন হতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে মর্মে কতিপয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সংবাদ দেখে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এ বিভ্রান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য প্রকৃত বিষয়টি সকলের মাঝে তুলে ধরেছেন দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ্য করে দুদক জানান
সম্প্ৰতি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ২২১৫ পাতার একটি শ্বেতপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করে।
শ্বেতপত্রটি পরীক্ষা করে সংক্ষিপ্তসার কমিশনে উপস্থাপন করার জন্য দুদক হতে একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। শ্বেতপত্রটি পরীক্ষা করে কমিশনের নিকট উপস্থাপন করাই এই কমিটির দায়িত্ব। আলেমগণের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অনুসন্ধানের কোন দায়িত্ব কমিটিকে দেওয়া হয়নি। এমনকি কমিশন হতে কোন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
দুদক আরো জানান,যে দুর্নীতি দমন কমিশনে সরাসরি পত্রযোগে, ১০৬ হটলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তা পুংখানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়। অভিযোগ পরীক্ষান্তে প্রাথমিকভাবে কোন দুর্নীতির উপাদান বা তথ্য পাওয়া গেলে এবং তা দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সিডিউলভুক্ত হলেই কেবল তা পরবর্তীতে অনুসন্ধানের অনুমোদনের জন্য কমিশনে উপস্থাপন করা হয়।এটিই দুদকে অভিযোগ প্রাপ্তি ও নিষ্পত্তির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির শ্বেতপত্রটি ২২১৫ পাতার হওয়ায় তা পরীক্ষার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন
করা হয়েছে। এই কমিটি একটি সংক্ষিপ্তসার কমিশনের নিকট উপস্থাপন করবে মাত্র।
কমিটিকে কোন অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বা দুদক হতে কোন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় নি। ধর্মীয় বক্তা বা আলেমগণের আর্থিক লেনদেন অনুসন্ধান সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম এ কমিটি শুরু করবে না। এধরনের কোন দায়িত্ব কমিটিকে দেওয়া হয়নি।
কমিটি কেবল শ্বেতপত্রটি পরীক্ষান্তে তাদের পর্যবেক্ষণ কমিশনের নিকট উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে
কমিশন বিষয়বস্তু বিশদ পরীক্ষান্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।এবিষয়ে আর কোন বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার অবকাশ থাকবে না বলে জানান,মুহাম্মদ আরিফ সাদেক উপপরিচালক(জনসংযোগ)দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)প্রধান কার্যালয়,ঢাকা।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























