নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বলে জানিয়েছেন রিকশাচালক কছিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বড় বড় কথা বলে তো লাভ নাই।
ভেড়ামারা নগরের ব্যস্ততম শাপলা চত্বর থেকে মেন রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে দেখা হয় ৫২ বছর বয়সী এক রিকশা চালকের সঙ্গে। মলিন মুখ দেখেই বোঝা গেল নিজের ভেতরে এক অস্থির অবস্থা চলছে। তা না হয় প্রখর রোদের মধ্যেও তীর্থের কাকের মত এভাবে কেউ যাত্রী জন্য অপেক্ষা করে। নাম কছিম উদ্দিন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন এই ৫২ বছর বয়সে রিকশাচালক। একবেলা কাঁচামরিচ পেঁয়াজ দিয়ে আর একবেলা আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে ডাল দিয়ে খাই। মাছ মাংস চোখে দেখি না। তারপরও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই যে প্রতিদিন দুইবেলা খেতে পারি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভেড়ামারা নগরের শাপলা চত্বর যাত্রীর জন্য অপেক্ষায় থাকা ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক কছিম উদ্দিন এসব কথা বলেন। তার বাড়ি হিড়িমদিয়া। প্রতিদিন ভেড়ামারা শহরের রিকশা চালিয়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন। ভেড়ামারা শহরে ইজিবাইকের দাপট ব্যাটারিচালিত রিকশা হাতে গোনা কয়েকটা। বাজারের ব্যাগ বহন করতে যাদের অসুবিধা হয় কাছাকাছি দূরত্বে এমন যাত্রীয় কেবল ব্যাটারিচালিত রিকশায় চড়েন। কছিম উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে সাড়ে সাতটায় বাড়ি থেকে বের হয়ে ভেড়ামারা শহরে পৌঁছান বিকেল পর্যন্ত রিকশা চালিয়ে আবার বাড়ি ফিরে যান। সারাদিনের রোজগার কখনোই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ছাড়াই না। গ্রামে শুধু বসতবাড়ি আছে। প্রতিদিনের রোজগারে কোনমতে চলে কছিম উদ্দিন সংসার। তিনি আরো বলেন বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে মাছ মাংস খাওয়ার কথা এখন ভাবতেই পারি না। কতদিন যে মাংস মাংস খাই নাই মনে পড়ে না। কখনো অসুখে পড়লে তার সংসার চালানো বিপদ হয়ে পড়ে তখন ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়। ঘরে স্ত্রী আর দুই মেয়ে নিয়ে বসবাস।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















