০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

কটিয়াদীতে যেভাবে দেখলেন পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মোড়ে মোড়ে, উপজেলা পরিষদ হলরুমে, বাসায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় প্রজেক্টর বা টেলিভিশনে পদ্মার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা দেশের অহংকারের প্রতীক পদ্মা সেতু দেখার জন্য ছোট থেকে বড় উপচে পড়া ভীড়। এতে স্পষ্ট দেখা গেলেও, দূরত্ব নেহাত কম নয়। সেতু দিয়ে যান চলাচল করলে সেটা বোঝা যায়, দেখা যায় আবছা। তবুও আগ্রহের কমতি নেই পরিবারের ও সাধারন মানুষগণের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সেতু পাড়ি দেবেন, সেই দৃশ্যটি দেখতে জড়ো হচ্চেন তার পরিবারের সব সদস্য। উপজেলা জুড়ে তাকালেও চোখে পড়ে এমন দৃশ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়,বুড়োদের সঙ্গে শিশুদের উচ্ছ্বাসেরও কমতি নেই। যদিও পদ্মা সেতুর তাৎপর্য বুঝে ওঠার বয়স তাদের হয়নি। তারা জানে না কত দীর্ঘ অপেক্ষার পর নির্মিত হয়েছে এই সেতু। এটি নির্মাণ করতে গিয়ে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে সরকারকে। তাদের কাছে নিছক একটি স্থাপনা এই সেতু। তাই বাড়ির সবার সঙ্গে আনন্দ উদযাপনই মূল লক্ষ্য তাদের। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়া পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সুধী সমাবেশে যোগ দেয়ার সুযোগ নেই কারও। নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্প এলাকায় যাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সেতু পাড়ি দেবেন, সেই দৃশ্যটা নিজেদের বঞ্চিত করতে চান না তারা।
সাধারন লোকজন বলেন,‘খুব আনন্দ লাগতেছে, বাস্তবে না দেখতে পারলেও শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার জন্য করে দিয়েছেন। আজকের দিনে বেশি আনন্দ লাগতেছে। এই আনন্দ আমাদের দুর্গাপূজার চেয়েও বেশি।’

স্কুল শিক্ষার্থীরা জানান,আমরা পদ্মাসেতু সম্পর্কে জানতাম না এবং দেখার সুযোগ ছিল না। এ অনুষ্ঠানটি প্রজেক্টরের মাধ্যমে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

কটিয়াদীতে যেভাবে দেখলেন পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রকাশিত : ০৫:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মোড়ে মোড়ে, উপজেলা পরিষদ হলরুমে, বাসায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় প্রজেক্টর বা টেলিভিশনে পদ্মার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা দেশের অহংকারের প্রতীক পদ্মা সেতু দেখার জন্য ছোট থেকে বড় উপচে পড়া ভীড়। এতে স্পষ্ট দেখা গেলেও, দূরত্ব নেহাত কম নয়। সেতু দিয়ে যান চলাচল করলে সেটা বোঝা যায়, দেখা যায় আবছা। তবুও আগ্রহের কমতি নেই পরিবারের ও সাধারন মানুষগণের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সেতু পাড়ি দেবেন, সেই দৃশ্যটি দেখতে জড়ো হচ্চেন তার পরিবারের সব সদস্য। উপজেলা জুড়ে তাকালেও চোখে পড়ে এমন দৃশ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়,বুড়োদের সঙ্গে শিশুদের উচ্ছ্বাসেরও কমতি নেই। যদিও পদ্মা সেতুর তাৎপর্য বুঝে ওঠার বয়স তাদের হয়নি। তারা জানে না কত দীর্ঘ অপেক্ষার পর নির্মিত হয়েছে এই সেতু। এটি নির্মাণ করতে গিয়ে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে সরকারকে। তাদের কাছে নিছক একটি স্থাপনা এই সেতু। তাই বাড়ির সবার সঙ্গে আনন্দ উদযাপনই মূল লক্ষ্য তাদের। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়া পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সুধী সমাবেশে যোগ দেয়ার সুযোগ নেই কারও। নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্প এলাকায় যাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সেতু পাড়ি দেবেন, সেই দৃশ্যটা নিজেদের বঞ্চিত করতে চান না তারা।
সাধারন লোকজন বলেন,‘খুব আনন্দ লাগতেছে, বাস্তবে না দেখতে পারলেও শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার জন্য করে দিয়েছেন। আজকের দিনে বেশি আনন্দ লাগতেছে। এই আনন্দ আমাদের দুর্গাপূজার চেয়েও বেশি।’

স্কুল শিক্ষার্থীরা জানান,আমরা পদ্মাসেতু সম্পর্কে জানতাম না এবং দেখার সুযোগ ছিল না। এ অনুষ্ঠানটি প্রজেক্টরের মাধ্যমে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।