০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

স্কুলছাত্রীর নিশংস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ

  • মাসুদ রানা
  • প্রকাশিত : ০৮:০২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
  • 55

গত ২৫ জুন ২২ ইং দুপুর অনুমান ০১.৩০ ঘটিকার সময়ে দাগনভূইয়া থানাধীন দক্ষিন নেওয়াজপুর গ্রামের ইউসুফ আলী ভূঁঞা বাড়ীর পিছনের এজমালী পুকুরের দক্ষিন পশ্চিম পাড়ে কড়ই গাছের গোড়ায় ০৭ বছর বয়সের ০১ জন স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে মর্মে সংবাদ পাওয়া যায়।

সংবাদ প্রাপ্তীর সাথে সাথে দাগনভূঞা থানার অফিসার সুযোগ্য চৌকস অফিসার ইনচার্জ উক্ত হত্যাকান্ড সম্পর্কে ফেনী জেলার পুলিশ সুপার’কে অবহিত করলে ফেনী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয়ের বিশেষ দিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার(সোনাগাজী সার্কেল) মোঃ মাশকুর রহমান এর সদক্ষ নের্তৃত্বে দাগনভূঁঞা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান ইমামসহ একটি চৌকস টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থল এলাকা পরিদর্শন করেন এবং লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করিয়া লাশ মর্গে প্রেরণ করেন।

পুরো ঘটনাস্থল এলাকাটি পর্যবেক্ষন করেন এবং সুকৌশল ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করিয়া অত্যন্ত বিচক্ষনতার সাথে হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার ঠিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ও মামলার রুজুর ০৬ ঘন্টার মধ্যে ঘাতক খুনি আনোয়ার হোসেন স্বপন(৩৮) ফেনীকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

উক্ত হত্যা মামলার আসামীকে অদ্য ২৬ জুন ২০২২ইং বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইলে আসামী খুনের দায় স্বীকার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণণা পূর্বক স্বীকারোক্তী মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী জানান,ঘটনার দিন গত ২৫ জুন সকাল বেলায় দক্ষিন নেয়াজপুর গ্রামের মোঃ ওসমান গনি এর ০৭ বছরের ফুটফুটে কণ্যা শিশু মিফতাউল মালিয়াত আফরা তার মায়ের সহিত দক্ষিন নেয়াজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসে।

প্রথম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত মিফতাউল মালিয়াত আফরা এর ক্লাস চলাকলীন সকাল অনুমান ১০.৫০ ঘটিকার সময়ে ভিকটিম প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে শ্রেনীকক্ষ হইতে বাহির হয়। তথায় চলাচলকারী বিকৃত রুচির অধিকারী ঘাতক আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিম দেখিতে পাইয়া ভিকটিমের মুখ চাপিয়া ধরিয়া কোলে করে ঘটনাস্থল কড়ই গাছের নীচে নিয়ে যায়। ঘাতক আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিমকে টয়লেটের দেওয়ালের সহিত বারি মারিয়া ভিকটিমের মুখমন্ডলে, চোখের পাতায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং তার সাথে পাশবিক নির্যাতন করে। ভিকটিম চিৎকার করে এবং মাকে বলে দিবে বলে জানায়। একপর্যায়ে আসামী আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিমকে জখম করিয়া তাহার গলা চেপে ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতক খুনি আনোয়ার হোসেন ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য গাছের মোটা লতা ভিকটিমের গলায় শক্ত করে পেঁচায় এবং গলা হতে নির্মমভাবে একটি লতা টানা দিয়া ভিকটিমের হাঁটুতে বেঁধে রাখে লাশটি গাছের সাথে হেলান দিয়ে পালিয়ে যায়। স্বল্পতম সময়ে পেশাগত দক্ষতায় হত্যার ঘটনার মূল আসামীকে দ্রুততম সময়ে চিহ্নিত পূর্বক গ্রেফতার দাগনভূইয়া থানা পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

স্কুলছাত্রীর নিশংস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ

প্রকাশিত : ০৮:০২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

গত ২৫ জুন ২২ ইং দুপুর অনুমান ০১.৩০ ঘটিকার সময়ে দাগনভূইয়া থানাধীন দক্ষিন নেওয়াজপুর গ্রামের ইউসুফ আলী ভূঁঞা বাড়ীর পিছনের এজমালী পুকুরের দক্ষিন পশ্চিম পাড়ে কড়ই গাছের গোড়ায় ০৭ বছর বয়সের ০১ জন স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে মর্মে সংবাদ পাওয়া যায়।

সংবাদ প্রাপ্তীর সাথে সাথে দাগনভূঞা থানার অফিসার সুযোগ্য চৌকস অফিসার ইনচার্জ উক্ত হত্যাকান্ড সম্পর্কে ফেনী জেলার পুলিশ সুপার’কে অবহিত করলে ফেনী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয়ের বিশেষ দিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার(সোনাগাজী সার্কেল) মোঃ মাশকুর রহমান এর সদক্ষ নের্তৃত্বে দাগনভূঁঞা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান ইমামসহ একটি চৌকস টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থল এলাকা পরিদর্শন করেন এবং লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করিয়া লাশ মর্গে প্রেরণ করেন।

পুরো ঘটনাস্থল এলাকাটি পর্যবেক্ষন করেন এবং সুকৌশল ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করিয়া অত্যন্ত বিচক্ষনতার সাথে হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার ঠিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ও মামলার রুজুর ০৬ ঘন্টার মধ্যে ঘাতক খুনি আনোয়ার হোসেন স্বপন(৩৮) ফেনীকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

উক্ত হত্যা মামলার আসামীকে অদ্য ২৬ জুন ২০২২ইং বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইলে আসামী খুনের দায় স্বীকার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণণা পূর্বক স্বীকারোক্তী মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী জানান,ঘটনার দিন গত ২৫ জুন সকাল বেলায় দক্ষিন নেয়াজপুর গ্রামের মোঃ ওসমান গনি এর ০৭ বছরের ফুটফুটে কণ্যা শিশু মিফতাউল মালিয়াত আফরা তার মায়ের সহিত দক্ষিন নেয়াজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসে।

প্রথম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত মিফতাউল মালিয়াত আফরা এর ক্লাস চলাকলীন সকাল অনুমান ১০.৫০ ঘটিকার সময়ে ভিকটিম প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে শ্রেনীকক্ষ হইতে বাহির হয়। তথায় চলাচলকারী বিকৃত রুচির অধিকারী ঘাতক আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিম দেখিতে পাইয়া ভিকটিমের মুখ চাপিয়া ধরিয়া কোলে করে ঘটনাস্থল কড়ই গাছের নীচে নিয়ে যায়। ঘাতক আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিমকে টয়লেটের দেওয়ালের সহিত বারি মারিয়া ভিকটিমের মুখমন্ডলে, চোখের পাতায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং তার সাথে পাশবিক নির্যাতন করে। ভিকটিম চিৎকার করে এবং মাকে বলে দিবে বলে জানায়। একপর্যায়ে আসামী আনোয়ার হোসেন স্বপন ভিকটিমকে জখম করিয়া তাহার গলা চেপে ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতক খুনি আনোয়ার হোসেন ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য গাছের মোটা লতা ভিকটিমের গলায় শক্ত করে পেঁচায় এবং গলা হতে নির্মমভাবে একটি লতা টানা দিয়া ভিকটিমের হাঁটুতে বেঁধে রাখে লাশটি গাছের সাথে হেলান দিয়ে পালিয়ে যায়। স্বল্পতম সময়ে পেশাগত দক্ষতায় হত্যার ঘটনার মূল আসামীকে দ্রুততম সময়ে চিহ্নিত পূর্বক গ্রেফতার দাগনভূইয়া থানা পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর