০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো নতুন ২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন

 দ্রুত কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে নতুন দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে চীন থেকে কিউজিসি নিয়ে আসা জাহাজটি বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-৫ জেটিতে ভিড়েছে। এর ফলে এনসিটি কিউজিসিতে পরিপূর্ণতা লাভ করবে। জাহাজটিতে এসেছে আরও তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনও। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) এবং তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন নিয়ে জাহাজটি জেটিতে ভিড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিয়ম অনুযায়ী জাহাজটি বহির্নোঙর থেকে এনসিটিতে নিয়ে আসেন বন্দরের ৩ জন অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদ, ক্যাপ্টেন আবু সাইদ মো. কামরুল আলম এবং নূর আলম সিদ্দিকী। বন্দরের নিজস্ব শক্তিশালী টাগবোট কাণ্ডারী ৬, ৮, ১০ ও ১১ এবং মুরিং বোট এনএমএল-১ ও আজমত জাহাজটি বার্থিংয়ের কাজে সহায়তা করে। এ সময় বন্দর চ্যানেল নৌযান চলাচল সীমিত করা হয়। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গতি বাড়বে উল্লেখ করে সচিব বলেন,চীনে তৈরি নতুন দুইটি কিউজিসি ও তিনটি আরটিজি আনলোড, ফিটিং, ট্রায়াল শেষে যত দ্রুত সম্ভব এগুলো অপারেশনে যাবে। এর আগে গত ৭ মে বন্দরে যুক্ত হওয়া কিউজিসি ও আরটিজি দিয়ে অপারেশন চলছে। শনিবার (৭ মে) এসব কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট নিয়ে আসা ‘জেন হুয়া ১২’ জাহাজটি দুইটি শক্তিশালী টাগবোটের সহায়তায় বিশেষ ব্যবস্থায় বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ৫ নম্বর বার্থে আনা হয়। বন্দরের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের ক্যাপ্টেন তানভির বলেন, এনসিটির জন্য নতুন দুইটি কিউজিসি ও তিনটি আরটিজি এসেছে। এ নিয়ে সিসিটিতে ৪টি, এনসিটিতে ১৪টি কিউজিসি হচ্ছে। এনসিটির ১ নম্বর জেটিতে ২টি, ২-৫ নম্বর জেটিতে ৩টি করে কিউজিসি বসবে। নতুন আরটিজিসহ বন্দরের সিসিটি ও এনসিটিতে আরটিজি হচ্ছে ৪৫টি। আধুনিক হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট সংযোজনের ফলে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। গত ৭ মে ‘জেন হুয়া ১২’ জাহাজে বন্দরে পৌঁছেছিল দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) ও তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি)। চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটিতে প্রথম গ্যান্ট্রি ক্রেন যুক্ত হয় ২০০৫ সালে। এরপর ২০১৭ ও ১৮ সালে গ্যান্ট্রি ক্রেন আনা হয় এনসিটি ২, ৩ ও ৪ নম্বর বার্থের জন্য।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো নতুন ২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন

প্রকাশিত : ০৮:১৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

 দ্রুত কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে নতুন দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে চীন থেকে কিউজিসি নিয়ে আসা জাহাজটি বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-৫ জেটিতে ভিড়েছে। এর ফলে এনসিটি কিউজিসিতে পরিপূর্ণতা লাভ করবে। জাহাজটিতে এসেছে আরও তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনও। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) এবং তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন নিয়ে জাহাজটি জেটিতে ভিড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিয়ম অনুযায়ী জাহাজটি বহির্নোঙর থেকে এনসিটিতে নিয়ে আসেন বন্দরের ৩ জন অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদ, ক্যাপ্টেন আবু সাইদ মো. কামরুল আলম এবং নূর আলম সিদ্দিকী। বন্দরের নিজস্ব শক্তিশালী টাগবোট কাণ্ডারী ৬, ৮, ১০ ও ১১ এবং মুরিং বোট এনএমএল-১ ও আজমত জাহাজটি বার্থিংয়ের কাজে সহায়তা করে। এ সময় বন্দর চ্যানেল নৌযান চলাচল সীমিত করা হয়। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গতি বাড়বে উল্লেখ করে সচিব বলেন,চীনে তৈরি নতুন দুইটি কিউজিসি ও তিনটি আরটিজি আনলোড, ফিটিং, ট্রায়াল শেষে যত দ্রুত সম্ভব এগুলো অপারেশনে যাবে। এর আগে গত ৭ মে বন্দরে যুক্ত হওয়া কিউজিসি ও আরটিজি দিয়ে অপারেশন চলছে। শনিবার (৭ মে) এসব কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট নিয়ে আসা ‘জেন হুয়া ১২’ জাহাজটি দুইটি শক্তিশালী টাগবোটের সহায়তায় বিশেষ ব্যবস্থায় বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ৫ নম্বর বার্থে আনা হয়। বন্দরের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের ক্যাপ্টেন তানভির বলেন, এনসিটির জন্য নতুন দুইটি কিউজিসি ও তিনটি আরটিজি এসেছে। এ নিয়ে সিসিটিতে ৪টি, এনসিটিতে ১৪টি কিউজিসি হচ্ছে। এনসিটির ১ নম্বর জেটিতে ২টি, ২-৫ নম্বর জেটিতে ৩টি করে কিউজিসি বসবে। নতুন আরটিজিসহ বন্দরের সিসিটি ও এনসিটিতে আরটিজি হচ্ছে ৪৫টি। আধুনিক হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট সংযোজনের ফলে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। গত ৭ মে ‘জেন হুয়া ১২’ জাহাজে বন্দরে পৌঁছেছিল দুইটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) ও তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি)। চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটিতে প্রথম গ্যান্ট্রি ক্রেন যুক্ত হয় ২০০৫ সালে। এরপর ২০১৭ ও ১৮ সালে গ্যান্ট্রি ক্রেন আনা হয় এনসিটি ২, ৩ ও ৪ নম্বর বার্থের জন্য।