০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

টাঙ্গাইলে প্রখর রোদে সাধারণ মানুষের হাঁসফাস

আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে টাঙ্গাইলে ব্যাপক তাপদাহ চলছে। এতে প্রচন্ড গরমে হাঁসফাস করছে মানুষ। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে এ তাপদাহ আরও দুই দিন থাকার পর তাপমাত্রা কমবে। তখন সকলের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।
শুক্রবার (১৫ জুলাই) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাথার উপর সূর্য উত্তর পশ্চিমে হেলে পড়েছে। খালি চোখে সামনে দিকে তাকানো যায় না। এছাড়াও অনেক দিন মজুর গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে। কেউ বা একটু স্বস্তির জন্য মাথায় পানি ঢালছে। সব চেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৪ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের। কাউকে বাসে আবার খোলা ট্রাক পিকআপে বসে হাত পাখা দিয়ে বাতাশ করতে দেখা গেছে।
শহরের জেলা সদর এলাকায় কথা হয় রিকশা চালক ইয়াকুবের সাথে। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ যাবত প্রচুর রোদ। বাতাশ তেমন নেই। মনে হচ্ছে রোদে শরীরের চামড়ার উপরের অংশ পুড়ে গেছে। গরমে কষ্ট হওয়ার কারণে তেমন খেপ মারতে পারি না।
দিন মজুর রশিদ মিয়া বলেন, রোদে ১০ মিনিট কাজ করলে ২০ মিনিট গাছের নিচে বসে থাকতে হয়। গরমের কারণে বসে থেকেও শান্তি নেই। কোথাও টিকতে পারছি না।
পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার গৃহবধু রোজিনা বেগম বলেন, প্রখর রোদের কারনে ব্যাপক গগরম। আর গরমে ঘরে বসেও থেকেও শান্তি নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলে আমার তিন বছরের ছেলে ও ৭০ বছর বয়সী শ্বাশুড়ির খুব কষ্ট হয়।
মহাসড়কের ভাবলা এলাকায় কথা হয় গাজীপুরগামী গৌতমের সাথে। তিনি বলেন, দেড় ঘন্টা যাবত আটকে আছি। রোদের গরম, সড়ক ও গাড়ির ইঞ্জিনের গরমে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। কেউ বা গাড়ি থেকে নেমে মাথায় পানি ঢালছে। বৃষ্টি হলে সকলের জন্যই ভাল হবে।
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের বজলুর রশিদ বলেন, দুই দিন যাবত টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর দুই দিন টাঙ্গাইলে রোদ থাকবে। এরপর স্বাবাভিক হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

টাঙ্গাইলে প্রখর রোদে সাধারণ মানুষের হাঁসফাস

প্রকাশিত : ০৫:৫১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২

আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে টাঙ্গাইলে ব্যাপক তাপদাহ চলছে। এতে প্রচন্ড গরমে হাঁসফাস করছে মানুষ। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে এ তাপদাহ আরও দুই দিন থাকার পর তাপমাত্রা কমবে। তখন সকলের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।
শুক্রবার (১৫ জুলাই) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাথার উপর সূর্য উত্তর পশ্চিমে হেলে পড়েছে। খালি চোখে সামনে দিকে তাকানো যায় না। এছাড়াও অনেক দিন মজুর গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে। কেউ বা একটু স্বস্তির জন্য মাথায় পানি ঢালছে। সব চেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৪ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের। কাউকে বাসে আবার খোলা ট্রাক পিকআপে বসে হাত পাখা দিয়ে বাতাশ করতে দেখা গেছে।
শহরের জেলা সদর এলাকায় কথা হয় রিকশা চালক ইয়াকুবের সাথে। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ যাবত প্রচুর রোদ। বাতাশ তেমন নেই। মনে হচ্ছে রোদে শরীরের চামড়ার উপরের অংশ পুড়ে গেছে। গরমে কষ্ট হওয়ার কারণে তেমন খেপ মারতে পারি না।
দিন মজুর রশিদ মিয়া বলেন, রোদে ১০ মিনিট কাজ করলে ২০ মিনিট গাছের নিচে বসে থাকতে হয়। গরমের কারণে বসে থেকেও শান্তি নেই। কোথাও টিকতে পারছি না।
পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার গৃহবধু রোজিনা বেগম বলেন, প্রখর রোদের কারনে ব্যাপক গগরম। আর গরমে ঘরে বসেও থেকেও শান্তি নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলে আমার তিন বছরের ছেলে ও ৭০ বছর বয়সী শ্বাশুড়ির খুব কষ্ট হয়।
মহাসড়কের ভাবলা এলাকায় কথা হয় গাজীপুরগামী গৌতমের সাথে। তিনি বলেন, দেড় ঘন্টা যাবত আটকে আছি। রোদের গরম, সড়ক ও গাড়ির ইঞ্জিনের গরমে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। কেউ বা গাড়ি থেকে নেমে মাথায় পানি ঢালছে। বৃষ্টি হলে সকলের জন্যই ভাল হবে।
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের বজলুর রশিদ বলেন, দুই দিন যাবত টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর দুই দিন টাঙ্গাইলে রোদ থাকবে। এরপর স্বাবাভিক হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ