০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

উইন্ডিজদের হোয়াইটওয়াশ করলো টাইগাররা

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিক ওয়েস্ট উন্ডিজকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে কষ্টার্জিত এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিলো টাইগাররা।

উইন্ডিজের দেওয়া ১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বাংলাদেশের খেলতে হয়েছে ৪৮ দশমিক ৩ ওভার। নুরুল হাসান সোহান ৩২ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন লিটন দাস। রান তাড়ার এক পর্যায়ে ১৪৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন সোহান-মিরাজ।

অধিনায়ক তামিম ইকবাল ৩৪, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ ২৬ ও মোসাদ্দেক হোসেন ১৪ রান করেন। উইন্ডিজের গুদাকেশ মোতি ২৩ রানে চার উইকেট নেন।

এর আগে, টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শরিফুল ইসলামের জায়গায় ডাক পেয়েই জ্বলে উঠেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল শিকার করেন পাঁচ উইকেট। ১০ ওভার বোলিং করে দুই মেডেনসহ মাত্র ২৮ রান খরচ করেন তিনি। তার ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ব্রেন্ডন কিং, শাই হোপ, রভম্যান পাওয়েল, কিমো পল ও নিকোলাস পুরান।

দলপতি নিকোলাস পুরান একাই টেনেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসটাকে, ১০৯ বলে খেলেন ৭৩ রানের ইনিংস। এছাড়া কেসি কার্টি করেন ৩৩ রান। রভম্যান পাওয়েলের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। তাইজুল ছাড়াও দুর্দান্ত বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদ। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

দারুণ বোলিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন তাইজুল ইসলাম। আর সিরিজসেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল। উল্লেখ্য, প্রথম ওয়ানডেতে ৬ এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৯ উইকেটে জয়লাভ করে টাইগাররা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

উইন্ডিজদের হোয়াইটওয়াশ করলো টাইগাররা

প্রকাশিত : ০১:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিক ওয়েস্ট উন্ডিজকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে কষ্টার্জিত এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিলো টাইগাররা।

উইন্ডিজের দেওয়া ১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বাংলাদেশের খেলতে হয়েছে ৪৮ দশমিক ৩ ওভার। নুরুল হাসান সোহান ৩২ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন লিটন দাস। রান তাড়ার এক পর্যায়ে ১৪৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন সোহান-মিরাজ।

অধিনায়ক তামিম ইকবাল ৩৪, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ ২৬ ও মোসাদ্দেক হোসেন ১৪ রান করেন। উইন্ডিজের গুদাকেশ মোতি ২৩ রানে চার উইকেট নেন।

এর আগে, টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শরিফুল ইসলামের জায়গায় ডাক পেয়েই জ্বলে উঠেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল শিকার করেন পাঁচ উইকেট। ১০ ওভার বোলিং করে দুই মেডেনসহ মাত্র ২৮ রান খরচ করেন তিনি। তার ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ব্রেন্ডন কিং, শাই হোপ, রভম্যান পাওয়েল, কিমো পল ও নিকোলাস পুরান।

দলপতি নিকোলাস পুরান একাই টেনেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসটাকে, ১০৯ বলে খেলেন ৭৩ রানের ইনিংস। এছাড়া কেসি কার্টি করেন ৩৩ রান। রভম্যান পাওয়েলের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। তাইজুল ছাড়াও দুর্দান্ত বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদ। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

দারুণ বোলিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন তাইজুল ইসলাম। আর সিরিজসেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল। উল্লেখ্য, প্রথম ওয়ানডেতে ৬ এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৯ উইকেটে জয়লাভ করে টাইগাররা।