১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে পেশিশক্তি যাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এজন্য আপনাদের সহযোগিতা চাইবো। নির্বাচন কমিশন একা ভোট সুষ্ঠু করতে পারে না। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমনকি সেনা বাহিনীরও অংশগ্রহণ প্রয়োজন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপে তিনি এমন কথা বলেন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর চেষ্টা করবো। নির্বাচন সংক্রান্ত আইনে আমাদের বেশ খানিকটা ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেন সম্ভাব্য সহিংসতা বা পেশিশক্তির প্রয়োগ হ্রাস করতে পারি।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে যে সংশয়, আস্থাহীনতা রয়েছে তা নিয়ে অবহিত আছি। আমরা অন্ধভাবে ইভিএম নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে এর যে কিছু ভালো দিক আছে, মন্দ দিক যা আছে সেটাকে আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। সেই সম্ভাব্যতা কতটা বস্তুনিষ্ঠ তা পরীক্ষা করে দেখার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আসার জন্য সব দলকে আহ্বান করছি এবং করে যাবো। নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে দায়িত্ব নিয়েছি আইন ও সংবিধানের অধীনে, সেই দায়িত্ব অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। কোনো দল না এলে আমরা বাধ্য করতে পারবো না। তবে বারবার আমরা আপনাদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি।

সংলাপে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এ মুকিতের নেতৃত্বে দলটির ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘ নীলফামারী জেলা শাখার আলোচনা সভা

জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে: সিইসি

প্রকাশিত : ০২:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে পেশিশক্তি যাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এজন্য আপনাদের সহযোগিতা চাইবো। নির্বাচন কমিশন একা ভোট সুষ্ঠু করতে পারে না। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমনকি সেনা বাহিনীরও অংশগ্রহণ প্রয়োজন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপে তিনি এমন কথা বলেন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর চেষ্টা করবো। নির্বাচন সংক্রান্ত আইনে আমাদের বেশ খানিকটা ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেন সম্ভাব্য সহিংসতা বা পেশিশক্তির প্রয়োগ হ্রাস করতে পারি।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে যে সংশয়, আস্থাহীনতা রয়েছে তা নিয়ে অবহিত আছি। আমরা অন্ধভাবে ইভিএম নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে এর যে কিছু ভালো দিক আছে, মন্দ দিক যা আছে সেটাকে আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। সেই সম্ভাব্যতা কতটা বস্তুনিষ্ঠ তা পরীক্ষা করে দেখার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আসার জন্য সব দলকে আহ্বান করছি এবং করে যাবো। নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে দায়িত্ব নিয়েছি আইন ও সংবিধানের অধীনে, সেই দায়িত্ব অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। কোনো দল না এলে আমরা বাধ্য করতে পারবো না। তবে বারবার আমরা আপনাদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি।

সংলাপে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এ মুকিতের নেতৃত্বে দলটির ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।