১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

খোলাবাজারে ডলার ১০৪ টাকা

খোলাবাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরও কমেছে। খোলাবাজারে এখন প্রতি ডলার ১০৪ টাকার দরে বিক্রি হচ্ছে।

রোববার (২৪ জুলাই) ঢাকার মানি চেঞ্জার ও খোলাবাজারে মার্কিন ডলার ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০৪ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হয়েছে।

মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের আগে ও পরে ১০০ থেকে ১০২ টাকার মধ্যে ডলার কেনাবেচা হলেও আজ ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা ছাড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে জামান মানি এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা মো. রাসেল বাংলানিউজকে বলেন, আজ আমরা ডলার ১০৩ টাকা দরে কিনেছি এবং ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা এবং ১০৪ টাকা দরে বিক্রি করেছে। তবে সারা দিন ২০ থেকে ৫০ পয়সা ব্যবধানে কেনাবেচা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলেও ডলারের দাম বেড়ে গেছে। কারণ, রপ্তানি বাড়লেও প্রবাসী আয় কমেছে।

আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) থেকে অবশ্য প্রতি ডলারের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৯৪ টাকা ৪৫ পয়সা।

প্রসঙ্গত, গত এক মাসের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে পাঁচ শতাংশের বেশি। আর এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এদিকে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে আরও চড়া দামে। দুই সপ্তাহ আগে খোলাবাজারে ডলারের দাম ছিল ৯৮ টাকা। গত সপ্তাহের শুরুতে তা একশ’ টাকার ওপরে উঠে। ২০ জুলাই তা ১০২ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

খোলাবাজারে ডলার ১০৪ টাকা

প্রকাশিত : ০৯:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

খোলাবাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরও কমেছে। খোলাবাজারে এখন প্রতি ডলার ১০৪ টাকার দরে বিক্রি হচ্ছে।

রোববার (২৪ জুলাই) ঢাকার মানি চেঞ্জার ও খোলাবাজারে মার্কিন ডলার ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০৪ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হয়েছে।

মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের আগে ও পরে ১০০ থেকে ১০২ টাকার মধ্যে ডলার কেনাবেচা হলেও আজ ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা ছাড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে জামান মানি এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা মো. রাসেল বাংলানিউজকে বলেন, আজ আমরা ডলার ১০৩ টাকা দরে কিনেছি এবং ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা এবং ১০৪ টাকা দরে বিক্রি করেছে। তবে সারা দিন ২০ থেকে ৫০ পয়সা ব্যবধানে কেনাবেচা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলেও ডলারের দাম বেড়ে গেছে। কারণ, রপ্তানি বাড়লেও প্রবাসী আয় কমেছে।

আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) থেকে অবশ্য প্রতি ডলারের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৯৪ টাকা ৪৫ পয়সা।

প্রসঙ্গত, গত এক মাসের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে পাঁচ শতাংশের বেশি। আর এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এদিকে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে আরও চড়া দামে। দুই সপ্তাহ আগে খোলাবাজারে ডলারের দাম ছিল ৯৮ টাকা। গত সপ্তাহের শুরুতে তা একশ’ টাকার ওপরে উঠে। ২০ জুলাই তা ১০২ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ