০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে নাগরপুরে বড়ই দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন।
দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ন আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১মার্চ বিকেল তিনটার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী দশ বছরের শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিলো। একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে তার নিজ বসতঘরে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে না বলার কথা বলে ঘরে থেকে বের করে দেয়। ভিকটিম পরের দিন পরিবারের লোকজনকে জানালে শিশুটির দাদা আব্দুল আওয়াল বাদি হয়ে ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ আটজনের স্বাক্ষ্য দেয়ার পর আজকের এই রায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৪:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

টাঙ্গাইলে নাগরপুরে বড়ই দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন।
দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ন আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১মার্চ বিকেল তিনটার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী দশ বছরের শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিলো। একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে তার নিজ বসতঘরে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে না বলার কথা বলে ঘরে থেকে বের করে দেয়। ভিকটিম পরের দিন পরিবারের লোকজনকে জানালে শিশুটির দাদা আব্দুল আওয়াল বাদি হয়ে ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ আটজনের স্বাক্ষ্য দেয়ার পর আজকের এই রায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ