ফেনীর সোনাগাীর ছোট ফেনী নদী সোনাগাজী, ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাকে বিভক্ত করে রাখে। ১৯৬৫ – ১৯৬৭ সালে ওই নদীর উপর কাজির হাটের অদুরে ১ টি রেগুলেটর স্হাপনের পর দুই উপজেলার দুরত্ব কমে আসে। ওই রেগুলেটরের উপর দিয়ে যান চলা চল করতো।
২০০২ সালে ওই রেগুলেটর টি নদী গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে দু’ পাড়ের লোকজনের জন্য নৌকায় ছিল ভরসা। পতিদিন দূরঘনাগটে বহলোক নদীতে পডে মালচামা না খোয়া।
গত কয়েক বছরে নদীর উপর ২ নং বগাদানা ইউনিয়নের মিয়াজী ঘাট ব্রীজ ও সাহেবের ঘাটের উপর দিয়ে ২য় ব্রীজ নির্ন্মান করা হলেও দীর্ঘ ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী জনগনের নদী পারাপারে ভোগান্তি লেগেই থাকে।
এদিকে বৃহত্তর জন গুষ্টির কথা চিন্তা করে বর্তমান সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গত ৪ বছর আগে নদীতে তলিয়ে যাওয়া কাজির হাট রেগুলেটরের উপর ও তেল্লার ঘাট নামক স্হানে ২ টি ব্রিজ নির্ন্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করে। বে- রশিকেরা বলেন, ওই ব্রীজ নির্ন্মানের ফাইলগুলো নাকি লাল ফিতায় বন্দী। লাল থেকে সবুজ হতে আর কত বছর পার হবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, ওই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হলো, কাঠের ব্রীজ। সাধারন জনতা নিজেদের উপাজিত টাকা দিয়ে কাঠের ব্রীজটি নির্ন্মান করে। এখন সাধারন জনতা অতি সহজে, কম সময়ে নদী পারপার হচ্ছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















