০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

খুলনায় সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা এবং জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে ৩১ জুলাই রোববার সকাল ১১ টায় খুলনা পিকচার প্যালেস মোড়ে এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
গত ২৯ জুন বুধবার রাত আনুমানিক সাথে ১০ টায় আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন প্রেস ক্লাবের ভিতরে ইমদাদুল হক মিলন বসে পত্রিকায় প্রকাশের সংবাদ তৈরি করাকালীন মুখোসধারী চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি প্রেস ক্লাবের ভিতরে প্রবেশ করে ইমদাদুল হক মিলনকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বড় সাংবাদিক হয়েছিস বলে তার ডান পায়ের হাটুতে লোহার হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে এবং বলে আমরা এলাকায় মাদক বিক্রয় করি, অন্যের জমি দখল করি তাতে তোর কি তুই আজকের পর থেকে চুপ হয়ে থাকবি তা নাহলে তোকে পরবর্তীতে যেখানে পাবো সেখানেই প্রাণে মেরে ফেলবো বলে হুমকি দেয়।
মিলন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের কথার প্রতিবাদ করলে মুখ বাধা অবস্থার একজনের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মিলনের মাথায় আঘাত করে। মিলনকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। মিলন সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জীবন বাঁচানের জন্য চিৎকার দিলে প্রেস ক্লাবের সামনে ২/৩ টি মোটর সাইকেল একসাথে হর্ন বাঁজাতে থাকে যাতে তার চিৎকারের শব্দ বাহিরে না আসে। তখন সন্ত্রাসীরা বলতে থাকে তুই যত জোরে চিৎকার করিস না কেন কোন চিৎকারের শব্দ কেউ শুনতে পাবে না বলে লোহার রড দিয়ে মিলনের মাথার মাঝখানে আঘাত করে। মিলন রক্তাক্ত জখম অবস্থায় চেয়ার থেকে ফ্লোরে পড়ে যায়।
তখন সন্ত্রাসীরা মিলনের হাতে থাকা একটি চারআনা ওজনের স্বর্ণের আংটি যার মূল্য অনুমান ১৮,০০০ টাকা, একটি ছয়আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমান ২৭,০০০ টাকা ও দুইটি সিম সহ একটি ওয়ালটন বাটন মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ১,৫০০ টাকা ও ড্রয়ারে থাকা নগদ ৪২,০০০ হাজার টাকা সর্বমোট ৮৮,হাজার ৫০০ পাঁচশত টাকা সন্ত্রাসীরা নিয়ে চলে যায়।
এঘটনার পর মিলন জানতে পারেন স্থানীয় রেজাউল গোলদার, সঞ্জয় মালি, তরুণ সরকার, রুবেল হাওলাদার, পরিমল রায়, জুয়েল শেখ, সবুর শেখ,মিরিন মন্ডল, সালাউদ্দিন খান-সহ অজ্ঞাত আরো ১০/১২ এ ঘটনায় জড়িত।
ওই ব্যক্তিরা এলাকার বাহির থেকে মুখোসধারী অজ্ঞাত আরও চারজন আনিয়ে উক্ত ঘটনা ঘটায়। বর্তমানে মিলন জীবননাশের আতঙ্কে আছেন।
ঘটনার পরে স্থানীয় লোকজন ও তার আত্মীয়-স্বজন এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার পর আড়ংঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের করায় সন্ত্রাসীরা মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

খুলনায় সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৪:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা এবং জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে ৩১ জুলাই রোববার সকাল ১১ টায় খুলনা পিকচার প্যালেস মোড়ে এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
গত ২৯ জুন বুধবার রাত আনুমানিক সাথে ১০ টায় আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন প্রেস ক্লাবের ভিতরে ইমদাদুল হক মিলন বসে পত্রিকায় প্রকাশের সংবাদ তৈরি করাকালীন মুখোসধারী চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি প্রেস ক্লাবের ভিতরে প্রবেশ করে ইমদাদুল হক মিলনকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বড় সাংবাদিক হয়েছিস বলে তার ডান পায়ের হাটুতে লোহার হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে এবং বলে আমরা এলাকায় মাদক বিক্রয় করি, অন্যের জমি দখল করি তাতে তোর কি তুই আজকের পর থেকে চুপ হয়ে থাকবি তা নাহলে তোকে পরবর্তীতে যেখানে পাবো সেখানেই প্রাণে মেরে ফেলবো বলে হুমকি দেয়।
মিলন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের কথার প্রতিবাদ করলে মুখ বাধা অবস্থার একজনের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মিলনের মাথায় আঘাত করে। মিলনকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। মিলন সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জীবন বাঁচানের জন্য চিৎকার দিলে প্রেস ক্লাবের সামনে ২/৩ টি মোটর সাইকেল একসাথে হর্ন বাঁজাতে থাকে যাতে তার চিৎকারের শব্দ বাহিরে না আসে। তখন সন্ত্রাসীরা বলতে থাকে তুই যত জোরে চিৎকার করিস না কেন কোন চিৎকারের শব্দ কেউ শুনতে পাবে না বলে লোহার রড দিয়ে মিলনের মাথার মাঝখানে আঘাত করে। মিলন রক্তাক্ত জখম অবস্থায় চেয়ার থেকে ফ্লোরে পড়ে যায়।
তখন সন্ত্রাসীরা মিলনের হাতে থাকা একটি চারআনা ওজনের স্বর্ণের আংটি যার মূল্য অনুমান ১৮,০০০ টাকা, একটি ছয়আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমান ২৭,০০০ টাকা ও দুইটি সিম সহ একটি ওয়ালটন বাটন মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ১,৫০০ টাকা ও ড্রয়ারে থাকা নগদ ৪২,০০০ হাজার টাকা সর্বমোট ৮৮,হাজার ৫০০ পাঁচশত টাকা সন্ত্রাসীরা নিয়ে চলে যায়।
এঘটনার পর মিলন জানতে পারেন স্থানীয় রেজাউল গোলদার, সঞ্জয় মালি, তরুণ সরকার, রুবেল হাওলাদার, পরিমল রায়, জুয়েল শেখ, সবুর শেখ,মিরিন মন্ডল, সালাউদ্দিন খান-সহ অজ্ঞাত আরো ১০/১২ এ ঘটনায় জড়িত।
ওই ব্যক্তিরা এলাকার বাহির থেকে মুখোসধারী অজ্ঞাত আরও চারজন আনিয়ে উক্ত ঘটনা ঘটায়। বর্তমানে মিলন জীবননাশের আতঙ্কে আছেন।
ঘটনার পরে স্থানীয় লোকজন ও তার আত্মীয়-স্বজন এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার পর আড়ংঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের করায় সন্ত্রাসীরা মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ