০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় ১ জনের আমৃত্যু, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দুলা মিয়া (২৬) হত্যা মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন আমৃত্যু কারাদন্ড এবং অন্য ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (০৮ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ এই রায় প্রদান করেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ২৪ নভেম্বর গ্রামের ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে জগন্নাথপুরের দাওরাই গ্রামের সফর আলী ও হীরা মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত সফল আলী’র ভাতিজা দুলা মিয়া (২৬) কে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেয়ার সময় পথেই মারা যান তিনি।
এ ঘটনায় ৩২ জনকে আসামী করে দুলা মিয়ার চাচা সফর আলী দুই দিন পর ২৬ নভেম্বর’২০০১ সালে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে পাঁচজন আসামী মৃত্যুবরণ করেন। বাদী সফর আলীও মারা যান। পলাতক রয়েছেন ১০ জন আসামী।

আদালত ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ সোমবার সম্ভুপুর গ্রামের রহিদ উল্লার ছেলে হীরা মিয়া প্রকাশ ইজাজুলকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।
অন্য আসামীদের মধ্যে দাওরাই গ্রামের মসকদ উল্লাহ্’র ছেলে আব্দুল মন্নাফ, একই গ্রামের আমরু মিয়ার ছেলে কয়েছ, রৈফত উল্লার ছেলে মসকুর ও নেছাওরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সাথে আরেক আসামী নূর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।

বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি সোহেল মিয়া ও অ্যাডভোকেট আবুল মজাদ চৌধুরী। আসামীপক্ষে আইনজীবি হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী।
তবে আসামি কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় ১ জনের আমৃত্যু, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত : ০৩:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দুলা মিয়া (২৬) হত্যা মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন আমৃত্যু কারাদন্ড এবং অন্য ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (০৮ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ এই রায় প্রদান করেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ২৪ নভেম্বর গ্রামের ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে জগন্নাথপুরের দাওরাই গ্রামের সফর আলী ও হীরা মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত সফল আলী’র ভাতিজা দুলা মিয়া (২৬) কে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেয়ার সময় পথেই মারা যান তিনি।
এ ঘটনায় ৩২ জনকে আসামী করে দুলা মিয়ার চাচা সফর আলী দুই দিন পর ২৬ নভেম্বর’২০০১ সালে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে পাঁচজন আসামী মৃত্যুবরণ করেন। বাদী সফর আলীও মারা যান। পলাতক রয়েছেন ১০ জন আসামী।

আদালত ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ সোমবার সম্ভুপুর গ্রামের রহিদ উল্লার ছেলে হীরা মিয়া প্রকাশ ইজাজুলকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।
অন্য আসামীদের মধ্যে দাওরাই গ্রামের মসকদ উল্লাহ্’র ছেলে আব্দুল মন্নাফ, একই গ্রামের আমরু মিয়ার ছেলে কয়েছ, রৈফত উল্লার ছেলে মসকুর ও নেছাওরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সাথে আরেক আসামী নূর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।

বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি সোহেল মিয়া ও অ্যাডভোকেট আবুল মজাদ চৌধুরী। আসামীপক্ষে আইনজীবি হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী।
তবে আসামি কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ