১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ডিমলা থানা পুলিশের সচেতনতা মূলক কার্যক্রম

মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে ডিমলা থানা পুলিশের জনসচেতন মূলক কার্যক্রম অব্যাহত।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে ডিমলা থানা পুলিশ প্রশাসনের জনসচেতন মূলক এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১১-আগস্ট) দুপুর ২-টায় উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নে গয়াখরিবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন ডিমলা থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) বিশ্বদেব রায় ।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশ্বদেব রায়, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন মাদক, বাল্যবিয়ে, পালিয়ে বিয়ে করা, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ইত্যাদি চলমান সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তোমাদের সঙ্গে আজ কথা বলতে এসেছি। দিন-দিন এসব সমস্যা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করছে। সবাইকে বলছি, সবার আগে নিজের এবং পরিবারের ভালো বুঝতে হবে। মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। কখনো অনাকাঙ্ক্ষিত কোন সমস্যা হলে পরিবারের অভিভাবক অথবা শিক্ষককে জানাতে হবে। প্রয়োজনে সরকারী ৯৯৯ নাইন ও ডিমলা থানা পুলিশকে জানালে তৎক্ষণাৎ পুলিশি সেবা পৌঁছে যাবে।

বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের জন্য থানায় আলাদা ডেস্ক খুলেছেন। সেখানে মহিলা পুলিশের মাধ্যমে আগত সেবা প্রার্থীকে সেবা প্রদান করা হয়। বাল্যবিবাহ রোধে ১৮ বছরের পূর্বে নিজেরা (শিক্ষার্থী) বিবাহ করব না।

তিনি আরও বলেন, সবাই আমার সঙ্গে শপথ করো, কখনো প্রেম করে পালিয়ে যাবে না, পরিবারকে কষ্ট দেবে না। ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরীদের পলায়ন সমাজে ব্যাধি হিসেবে জেনো রূপান্তরিত না হয়, এ কারণেই সবাইকে সচেতন হতে হবে।
এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন আইনে বাল্যবিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে এটি প্রতিহত করতে হবে। বাল্যবিবাহ একটি মেয়ের বড় হওয়ার পথে সব থেকে বড় বাধা। এছাড়া অপ্রাপ্ত বয়সে প্রেম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়।

এ বিষয়ে সবাইকে বোঝাতে হবে, লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরই মেয়েদের বিয়ে করা উচিত। তাই এমন সচেতনতামুলক ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব বিদ্যালয়ে এ ধরনের শপথের আয়োজন করা হবে। এ সভায় গয়াখরিবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী ও ডিমলা থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব

জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

ডিমলা থানা পুলিশের সচেতনতা মূলক কার্যক্রম

প্রকাশিত : ০২:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২

মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে ডিমলা থানা পুলিশের জনসচেতন মূলক কার্যক্রম অব্যাহত।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে ডিমলা থানা পুলিশ প্রশাসনের জনসচেতন মূলক এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১১-আগস্ট) দুপুর ২-টায় উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নে গয়াখরিবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদক, জুয়া, উগ্রবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যা বিরোধী সহ ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধি রোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন ডিমলা থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) বিশ্বদেব রায় ।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশ্বদেব রায়, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন মাদক, বাল্যবিয়ে, পালিয়ে বিয়ে করা, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ইত্যাদি চলমান সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তোমাদের সঙ্গে আজ কথা বলতে এসেছি। দিন-দিন এসব সমস্যা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করছে। সবাইকে বলছি, সবার আগে নিজের এবং পরিবারের ভালো বুঝতে হবে। মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। কখনো অনাকাঙ্ক্ষিত কোন সমস্যা হলে পরিবারের অভিভাবক অথবা শিক্ষককে জানাতে হবে। প্রয়োজনে সরকারী ৯৯৯ নাইন ও ডিমলা থানা পুলিশকে জানালে তৎক্ষণাৎ পুলিশি সেবা পৌঁছে যাবে।

বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের জন্য থানায় আলাদা ডেস্ক খুলেছেন। সেখানে মহিলা পুলিশের মাধ্যমে আগত সেবা প্রার্থীকে সেবা প্রদান করা হয়। বাল্যবিবাহ রোধে ১৮ বছরের পূর্বে নিজেরা (শিক্ষার্থী) বিবাহ করব না।

তিনি আরও বলেন, সবাই আমার সঙ্গে শপথ করো, কখনো প্রেম করে পালিয়ে যাবে না, পরিবারকে কষ্ট দেবে না। ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরীদের পলায়ন সমাজে ব্যাধি হিসেবে জেনো রূপান্তরিত না হয়, এ কারণেই সবাইকে সচেতন হতে হবে।
এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন আইনে বাল্যবিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে এটি প্রতিহত করতে হবে। বাল্যবিবাহ একটি মেয়ের বড় হওয়ার পথে সব থেকে বড় বাধা। এছাড়া অপ্রাপ্ত বয়সে প্রেম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়।

এ বিষয়ে সবাইকে বোঝাতে হবে, লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরই মেয়েদের বিয়ে করা উচিত। তাই এমন সচেতনতামুলক ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব বিদ্যালয়ে এ ধরনের শপথের আয়োজন করা হবে। এ সভায় গয়াখরিবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী ও ডিমলা থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব