১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ডলারপ্রতি ১ টাকার বেশি লাভ করতে পারবে না কোনো ব্যাংক

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল করতে ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের ক্রয়-বিক্রয় হারের মধ্যে ১ টাকার ব্যবধান বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো যে দামে ডলার কিনবে, তার চেয়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে। রবিবার (১৪ আগস্ট) অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সদস্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাজারকে কীভাবে খুব দ্রুত স্থিতিশীলতার মধ্যে নিয়ে আসা যায় তার জন্য ব্যাংকগুলো পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছে। তারা একমত হয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হয়ে যাবে। পাশাপাশি তাদেরকে বলা হয়েছে যে সমস্ত রফতানি আয় খুব দ্রুত দেশে আনতে হবে এবং সেটাকে নগদায়ন করতে হবে।’

ব্যাংকগুলো সাধারণত দু’টি উৎস থেকে ডলার কেনে-প্রবাসী আয় প্রেরক ও রফতানিকারক। তারা বিভিন্ন উৎস থেকে একেক হারে ডলার কেনে। তাই সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ব্যাংকগুলো ডলার কেনার খরচের গড় হিসাব করবে এবং বিক্রির সময় আমদানিকারকদের থেকে এই গড় ক্রয়মূল্যের চেয়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা বেশি রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবিবি ও বাফেদাকে অক্টোবরের মধ্যে আন্তঃব্যাংক এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম চালু করতে একসঙ্গে কাজ করতে বলেছে। এই কার্যক্রম গত তিন মাস ধরে বন্ধ আছে।

খোলাবাজারে ডলারের দাম ১১০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণ করে ডলারপ্রতি ৯৫ টাকা। গত সপ্তাহে খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২০ টাকায় উঠে যায়। তবে রবিবার খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ১১০ টাকা থেকে ১১২ টাকায় নেমে আসে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ডলারপ্রতি ১ টাকার বেশি লাভ করতে পারবে না কোনো ব্যাংক

প্রকাশিত : ০৯:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল করতে ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের ক্রয়-বিক্রয় হারের মধ্যে ১ টাকার ব্যবধান বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো যে দামে ডলার কিনবে, তার চেয়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে। রবিবার (১৪ আগস্ট) অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সদস্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাজারকে কীভাবে খুব দ্রুত স্থিতিশীলতার মধ্যে নিয়ে আসা যায় তার জন্য ব্যাংকগুলো পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছে। তারা একমত হয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হয়ে যাবে। পাশাপাশি তাদেরকে বলা হয়েছে যে সমস্ত রফতানি আয় খুব দ্রুত দেশে আনতে হবে এবং সেটাকে নগদায়ন করতে হবে।’

ব্যাংকগুলো সাধারণত দু’টি উৎস থেকে ডলার কেনে-প্রবাসী আয় প্রেরক ও রফতানিকারক। তারা বিভিন্ন উৎস থেকে একেক হারে ডলার কেনে। তাই সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ব্যাংকগুলো ডলার কেনার খরচের গড় হিসাব করবে এবং বিক্রির সময় আমদানিকারকদের থেকে এই গড় ক্রয়মূল্যের চেয়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা বেশি রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবিবি ও বাফেদাকে অক্টোবরের মধ্যে আন্তঃব্যাংক এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম চালু করতে একসঙ্গে কাজ করতে বলেছে। এই কার্যক্রম গত তিন মাস ধরে বন্ধ আছে।

খোলাবাজারে ডলারের দাম ১১০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণ করে ডলারপ্রতি ৯৫ টাকা। গত সপ্তাহে খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২০ টাকায় উঠে যায়। তবে রবিবার খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ১১০ টাকা থেকে ১১২ টাকায় নেমে আসে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ