০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সরাইলে শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার দায়ে আটক ৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ১৩ বছরের এক মাদরাসার ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ জনকে আটকের পর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে আটককৃতদের আদালতের পাঠানো হলে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- শুভ মিয়া (২১) দুলাল মিয়া (২২), জীবন মিয়া (২০), স্বাধীন মিয়া (২১) ও ধন মিয়া (২৫)। ভিকটিমের পরিবার জানান, ভিকটিমের সাথে শুভ মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৩ আগস্ট ভিকটিম মাদরাসায় যাওয়ার পথে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে শুভ জোরপূর্বকভাবে তাকে চুন্টা বাজার থেকে সিএনজিতে তুলে নরসিংদী জেলার বারৈচা নিয়ে যায়। ওই সময় তার সাথে আরও চারজন যুবক ছিল। ভিকটিমকে ওইখানের একটি পরিত্যক্ত স্কুলে নিয়ে গিয়ে একে একে পালাক্রমে সবাই ধর্ষণ করেন। তারপর তারা সবাই পালিয়ে যায়।

ওইদিন রাতেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাড়িতে ফোন দিলে তার বাবাসহ স্থানীয় লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে সরাইল নিয়ে আসেন। পরদিন তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতে ভিকটিমের বাবা একটি একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত ৫ জনকে আটক করেছি। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুনরায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

সরাইলে শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার দায়ে আটক ৫

প্রকাশিত : ০৫:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ১৩ বছরের এক মাদরাসার ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ জনকে আটকের পর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে আটককৃতদের আদালতের পাঠানো হলে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- শুভ মিয়া (২১) দুলাল মিয়া (২২), জীবন মিয়া (২০), স্বাধীন মিয়া (২১) ও ধন মিয়া (২৫)। ভিকটিমের পরিবার জানান, ভিকটিমের সাথে শুভ মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৩ আগস্ট ভিকটিম মাদরাসায় যাওয়ার পথে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে শুভ জোরপূর্বকভাবে তাকে চুন্টা বাজার থেকে সিএনজিতে তুলে নরসিংদী জেলার বারৈচা নিয়ে যায়। ওই সময় তার সাথে আরও চারজন যুবক ছিল। ভিকটিমকে ওইখানের একটি পরিত্যক্ত স্কুলে নিয়ে গিয়ে একে একে পালাক্রমে সবাই ধর্ষণ করেন। তারপর তারা সবাই পালিয়ে যায়।

ওইদিন রাতেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাড়িতে ফোন দিলে তার বাবাসহ স্থানীয় লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে সরাইল নিয়ে আসেন। পরদিন তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতে ভিকটিমের বাবা একটি একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত ৫ জনকে আটক করেছি। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুনরায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ