বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ একই স্থানে ২১ আগস্টের কর্মসূচি দেওয়ায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় বরগুনা সরকারি কলেজসহ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রবিবার (২১ আগস্ট) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুভ্রা দাস স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমাদের নিয়মিত মহড়া চলছে। সরকারি কলেজসহ পৌর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
গত ১৫ আগস্ট বেলা ১২টার দিকে বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের সামনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।
এর আগে গত ৩০ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের ধর্মতলা মোড়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।
পরবর্তীতে ৫ আগস্ট শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে একই সময়ে বরগুনা সরকারি কলেজ মসজিদে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় কলেজসহ আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ আট বছর পর গত ১৭ জুলাই বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৪ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেন। এতে জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল কবির রেজা, সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরানসহ ৩৩ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়।
এরপর থেকেই সদ্য ঘোষিত এ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে প্রত্যাখ্যান করে সিনিয়র সহ-সভাপতি সবুজ মোল্লা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজ আরিয়ান বিশালসহ পদবঞ্চিতদের কর্মী সমর্থকরা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাংচুরসহ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















