০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজৈরে যুবকে কুপিয়ে হত্যা

মাদারীপুরের রাজৈরে এবাদত মুন্সী (২২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ যুবকেরা। একই সাথে নিহতের চাচাতো ভাইকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত এবাদত উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের গুরুজকান্দি গ্রামের আবু জালাল মুন্সীর ছেলে। এ ঘটনা খুনিদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

স্বজন ও বন্ধুরা জানায়, কয়েকমাস আগে এবাদত সহ তার বন্ধুরা মিলে পিকনিক করে। সেখানে দাওয়াত না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে একই ইউনিয়নের কাচাবালি গ্রামের রাকিব, মেজবাহ, জাহিদ, রাব্বি ও হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের নাঈম। এরই জের ধরে অভিযুক্ত রাকিব ফেসবুকে হুমকি মুলক একটি স্ট্যাটাস দেয়। সেখানে কমেন্ট করায় দুই পক্ষের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় এবাদত ও তার চাচাতো ভাই শাহাদাত মুন্সীকে মিমাংসার কথা বলে কবিরাজপুর ছইফ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের পাশে ডেকে নেয় রাকিব। এসময় দুইজনকে ছুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ঘাতক রাকিব ও তার সহযোগিরা। পরে ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে পাঠায়। সেখান থেকে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালের আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবাদত।

রাজৈর থানার ওসি মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাই নি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতেছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজৈরে যুবকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত : ০৭:৩০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

মাদারীপুরের রাজৈরে এবাদত মুন্সী (২২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ যুবকেরা। একই সাথে নিহতের চাচাতো ভাইকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত এবাদত উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের গুরুজকান্দি গ্রামের আবু জালাল মুন্সীর ছেলে। এ ঘটনা খুনিদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

স্বজন ও বন্ধুরা জানায়, কয়েকমাস আগে এবাদত সহ তার বন্ধুরা মিলে পিকনিক করে। সেখানে দাওয়াত না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে একই ইউনিয়নের কাচাবালি গ্রামের রাকিব, মেজবাহ, জাহিদ, রাব্বি ও হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের নাঈম। এরই জের ধরে অভিযুক্ত রাকিব ফেসবুকে হুমকি মুলক একটি স্ট্যাটাস দেয়। সেখানে কমেন্ট করায় দুই পক্ষের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় এবাদত ও তার চাচাতো ভাই শাহাদাত মুন্সীকে মিমাংসার কথা বলে কবিরাজপুর ছইফ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের পাশে ডেকে নেয় রাকিব। এসময় দুইজনকে ছুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ঘাতক রাকিব ও তার সহযোগিরা। পরে ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে পাঠায়। সেখান থেকে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালের আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবাদত।

রাজৈর থানার ওসি মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাই নি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতেছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ