দাফনের সব আয়োজনই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ খবর এলো শিশুটি শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে। শিশুটি নাড়াচ্ছে হাত-পা। ঘটনাটি আজিমপুর কবরস্থানের। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আজিমপুর পুরাতন কবরস্থানে এমন ঘটনা ঘটে।
নবজাতক মেয়ে শিশুটিকে বাঁচাতে তার পিতা প্রথমে আজিমপুর কবরস্থানের পাশেই আজিমপুর ম্যাটারনিটিতে নিয়ে যান। সেখানে ভর্তি না করে আগারগাঁওয়ের ঢাকা শিশু হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে দ্রুত নবজাতকটিকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত ঘোষিত নবজাতককে বাঁচাতে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটছেন তার বাবা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ঘোষিত নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ছুটে এসেছে। পুলিশ কর্মকর্তা বার বার নবজাতকের পিতার মোবাইল নম্বর আছে কিনা জানতে চাইছেন। জবাবে মোহরার বলছিলেন, মোবাইল নম্বর নেয়ার সময়টুকুও যে পাইনি। রেজিস্ট্রারে নাম ঠিকানা লেখা শেষ হওয়ার আগেই মৃত নবজাতক নড়েচড়ে উঠে সবাই দৌঁড়ে চলে যায়।
আজিমপুর কবরস্থানের নারী ড্রেসার জেসমিন আক্তার ঝর্ণা জানান, মোহরারের মাধ্যমে একটি বাক্সে করে নবজাতকের লাশটি কবরস্থানের ভেতরে গোসলখানায় পাঠানো হয়। তিনি নবজাতক শিশুটির গায়ে এক মগ পানি ঢেলে শরীরে সাবান লাগাতে না লাগাতেই দেখেন শিশুটি নড়াচড়া করছে। প্রথমে চোখের ভুল ভেবে আবার সাবান ঘষতেই নবজাতকের হাত-পা নাড়ায়। এসময় তিনি সহকর্মীদের ডেকে বিষয়টি জানান। পানি ঢালার কারণে শিশুটির ঠান্ডা লেগে শরীর আরও খারাপ হতে পারে এই ভেবে তোয়ালায় পেঁচিয়ে দ্রুত কবরস্থানের দক্ষিণ গেটে নিয়ে আসেন বলে জানান।























