১০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে ভার্চুয়াল জাদুঘরে ঐতিহ্য পরিদর্শন

ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা ঘুরে দেখলেন দেশের বিভিন্ন স্থানের প্রত্মতাত্বিক ঐতিহ্য। ঢাকার বাইরে এই প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হলো এই ভার্চুয়াল জাদুঘর।
টাঙ্গাইল শহরের আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে দুই দিন ব্যাপী এই প্রদর্শনী গত শনিবার শেষ হয়। শুক্রবার শুরু হওয়া প্রদর্শনীতে অংশ নেয় শিশু শিক্ষার্থীসহ দুই শতাধিক বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থী। ভিআর হেডসেটের মাধ্যমে তারা ভার্চুয়ালি ঘুরে দেখেন ষাট গম্বুজ মসজিদ, পানাম নগরী, বড় সরদারবাড়ি, ছোট সোনা মসজিদ ও এগারো শিব মন্দির। অনেক দূরে অবস্থিত এসব ঐতিহ্যবাহী প্রত্মতাত্বিক স্থাপনা গুলো প্রযুক্তির কল্যাণে ভার্চুয়াল জাদুঘরের মাধ্যমে তারা প্রত্যক্ষ করে।
ভার্চুয়ারি এসব স্থাপনা প্রত্যক্ষ করে দর্শনার্থী আবির হোসেন জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত প্রত্মতাতিœক স্থাপনা গুলো এক নিমিষে ঘুরে দেখতে পারলাম। দেখে মনে হলো স্বশরীরে গিয়ে ঘুরে দেখলাম।
ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ এ বছর ২৮ ফেব্রæয়ারি বাংলাদেশের প্রথম ভার্চুয়াল মিউজিয়াম হিসেবে প্রটোটাইপের উদ্বোধন করে। এরপর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। ভার্চুয়াল জাদুঘর বাংলাদেশের ফাউন্ডার ও লিড ডেভেলপার আহামেদ জামান সঞ্জীব বলেন, ‘আমরা চাই দেশের সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ দেখুক, যা শিশুদের এদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি শিক্ষায় একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটা হয়তো একদিনে সম্ভব নয়। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে দেশের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে প্রদর্শনী করতে প্রস্তুত।’
আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা ইয়াসমিন মলি বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শিশুদের আনন্দমূখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করতে কাজ করছি। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের এই বিশেষ প্রদর্শনী এমনই আরেকটি প্রচেষ্টা। স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একটি নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হলো যা বর্তমান সময়ের সাথে একই গতিতে এগিয়ে যেতে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

যুক্তরাজ্যে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ : চালক নিহত, আহত ৮৯ জন

টাঙ্গাইলে ভার্চুয়াল জাদুঘরে ঐতিহ্য পরিদর্শন

প্রকাশিত : ০৮:০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা ঘুরে দেখলেন দেশের বিভিন্ন স্থানের প্রত্মতাত্বিক ঐতিহ্য। ঢাকার বাইরে এই প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হলো এই ভার্চুয়াল জাদুঘর।
টাঙ্গাইল শহরের আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে দুই দিন ব্যাপী এই প্রদর্শনী গত শনিবার শেষ হয়। শুক্রবার শুরু হওয়া প্রদর্শনীতে অংশ নেয় শিশু শিক্ষার্থীসহ দুই শতাধিক বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থী। ভিআর হেডসেটের মাধ্যমে তারা ভার্চুয়ালি ঘুরে দেখেন ষাট গম্বুজ মসজিদ, পানাম নগরী, বড় সরদারবাড়ি, ছোট সোনা মসজিদ ও এগারো শিব মন্দির। অনেক দূরে অবস্থিত এসব ঐতিহ্যবাহী প্রত্মতাত্বিক স্থাপনা গুলো প্রযুক্তির কল্যাণে ভার্চুয়াল জাদুঘরের মাধ্যমে তারা প্রত্যক্ষ করে।
ভার্চুয়ারি এসব স্থাপনা প্রত্যক্ষ করে দর্শনার্থী আবির হোসেন জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত প্রত্মতাতিœক স্থাপনা গুলো এক নিমিষে ঘুরে দেখতে পারলাম। দেখে মনে হলো স্বশরীরে গিয়ে ঘুরে দেখলাম।
ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ এ বছর ২৮ ফেব্রæয়ারি বাংলাদেশের প্রথম ভার্চুয়াল মিউজিয়াম হিসেবে প্রটোটাইপের উদ্বোধন করে। এরপর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। ভার্চুয়াল জাদুঘর বাংলাদেশের ফাউন্ডার ও লিড ডেভেলপার আহামেদ জামান সঞ্জীব বলেন, ‘আমরা চাই দেশের সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ দেখুক, যা শিশুদের এদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি শিক্ষায় একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটা হয়তো একদিনে সম্ভব নয়। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে দেশের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে প্রদর্শনী করতে প্রস্তুত।’
আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা ইয়াসমিন মলি বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শিশুদের আনন্দমূখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করতে কাজ করছি। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের এই বিশেষ প্রদর্শনী এমনই আরেকটি প্রচেষ্টা। স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একটি নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হলো যা বর্তমান সময়ের সাথে একই গতিতে এগিয়ে যেতে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ