০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ভেড়ামারায় অবৈধ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জমজমাট

লাইসেন্স ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবসা কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। একজন পয়সা দিয়ে আইন মেনে ব্যবসা করছে আরেকজন অবৈধভাবে ব্যবসা করছে একটা মেনে নেওয়া যায় না। ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির কারিগর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। স্বল্প টাকায় অধিক গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট প্রদানে সক্ষম এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস। আর সেই সেবাকে কেন্দ্র করে ভেড়ামারায় গড়ে উঠেছে ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে ভেড়ামারাতে শুধু মাত্র অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান আছে গুটি কয়েকটি। কিন্তু নামে বেনামে শহরে এই ব্যবসা করছেন বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। যেখানে নেই কোন প্রশাসনিক তদারকি। আইএসপি তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে রয়েছে পাঁচ হাজার বেশি অবৈধ ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান। বড় আইএসপি বা আইএসডি থেকে লাইন নিয়ে বানানো অনলাইন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবসা দিচ্ছেন। তারা পেশি শক্তি ব্যবহার করে নিম্নমানের ইন্টারনেট সেবা নিতে বাধ্য করছেন। গ্রাহকদের অবৈধ ইন্টারনেট সেবা বন্ধে একটি মনিটরিং সেল গঠনের তাগিদ সংশ্লিষ্টের। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে কমছে সেবার মান। যারা ব্রডব্যান্ড দিচ্ছে তারা যেমন দায়ী আবার যারা এই অবৈধ ভাবে নিচ্ছে তারাও দায়ী। এই দুইটা গ্রুপকে সরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারে তাহলে মনে হয় সারা বাংলাদেশে অবৈধ আইএসপি এখনই বন্ধ হবে। অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা করায় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

অবৈধ ইন্টারনেট সেবা আইনের কঠোর বিধান থাকলেও লাইসেন্সবিহীন এইসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম রোধ করা যাচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে হাতে গোনা কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের ধরা ছাড়া বাইরে থেকে যাচ্ছে তাদের কর্মকান্ড। স্থানীয় প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চলছে তাদের রমরমা বাণিজ্য। গ্রাহকদের কাছে আদায় করছে ইচ্ছামতো সার্ভিস চার্জ। জনবলের অভাবে মনিটরিং করা যাচ্ছে না বলছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। বিটিআরসির নীতিমালা বলা হয়েছে ব্রডব্যান্ড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একে অপরের মাঝে ব্র্যান্ড উইথ শেয়ার করতে পারবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

ভেড়ামারায় অবৈধ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জমজমাট

প্রকাশিত : ১২:১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

লাইসেন্স ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবসা কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। একজন পয়সা দিয়ে আইন মেনে ব্যবসা করছে আরেকজন অবৈধভাবে ব্যবসা করছে একটা মেনে নেওয়া যায় না। ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির কারিগর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। স্বল্প টাকায় অধিক গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট প্রদানে সক্ষম এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস। আর সেই সেবাকে কেন্দ্র করে ভেড়ামারায় গড়ে উঠেছে ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে ভেড়ামারাতে শুধু মাত্র অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান আছে গুটি কয়েকটি। কিন্তু নামে বেনামে শহরে এই ব্যবসা করছেন বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। যেখানে নেই কোন প্রশাসনিক তদারকি। আইএসপি তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে রয়েছে পাঁচ হাজার বেশি অবৈধ ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান। বড় আইএসপি বা আইএসডি থেকে লাইন নিয়ে বানানো অনলাইন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবসা দিচ্ছেন। তারা পেশি শক্তি ব্যবহার করে নিম্নমানের ইন্টারনেট সেবা নিতে বাধ্য করছেন। গ্রাহকদের অবৈধ ইন্টারনেট সেবা বন্ধে একটি মনিটরিং সেল গঠনের তাগিদ সংশ্লিষ্টের। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে কমছে সেবার মান। যারা ব্রডব্যান্ড দিচ্ছে তারা যেমন দায়ী আবার যারা এই অবৈধ ভাবে নিচ্ছে তারাও দায়ী। এই দুইটা গ্রুপকে সরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারে তাহলে মনে হয় সারা বাংলাদেশে অবৈধ আইএসপি এখনই বন্ধ হবে। অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা করায় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

অবৈধ ইন্টারনেট সেবা আইনের কঠোর বিধান থাকলেও লাইসেন্সবিহীন এইসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম রোধ করা যাচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে হাতে গোনা কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের ধরা ছাড়া বাইরে থেকে যাচ্ছে তাদের কর্মকান্ড। স্থানীয় প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চলছে তাদের রমরমা বাণিজ্য। গ্রাহকদের কাছে আদায় করছে ইচ্ছামতো সার্ভিস চার্জ। জনবলের অভাবে মনিটরিং করা যাচ্ছে না বলছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। বিটিআরসির নীতিমালা বলা হয়েছে ব্রডব্যান্ড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একে অপরের মাঝে ব্র্যান্ড উইথ শেয়ার করতে পারবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব