আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে নির্বাচনী ট্রেন থেমে থাকবে না বলেও মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানান তিনি।
বিএনপি আলোচনার মাধ্যমে টেকনোক্র্যাট কোটায় নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকতে চায়- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গতবার শুধু সরকারে অংশগ্রহণ নয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ও বিএনপিকে অফার করা হয়েছিল প্রকাশ্যে। এখানে গোপনীয়তার কিছু ছিল না। সেটা পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী দল হিসেবে। পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী দল নয় এমন কাউকে সরকারে এবার আমন্ত্রণ জানানো হবে এমন কোনো চিন্তা-ভাবনা সরকারের নেই।’
তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তারেক রহমান বিদেশে পলাতক থাকায় দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনগতভাবে সরকারের একটা তাগিদ থাকে। সেটাই সরকার করছে।
‘আর বিএনপি কী চায় তারেক রহমান দেশে ফিরে আসুন? বিএনপির সব নেতারা কী তা চান? তাদের গডফাদাররা এক রকম, সিনিয়র নেতারা আরেক রকম, বিএনপি নেতারা একে অপরকে সরকারের এজেন্ট বলে বলেন। তারা নিজেরাই তো ঠিক নেই। তারেক রহমানের প্রশ্নে তাদের মধ্যে সমস্যা আছে। সেটা সবারই জানে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন স্পষ্ট করে সত্যি কথা বলেন, তখন বিএনপির কেন গাত্রদাহ শুরু হয় জানি। বিএনপি দুর্নীতিবাজ ও দণ্ড পাওয়াদের নেতা বানাতে তাদের গঠনতন্ত্র থেকে রাতের আধারে সাত ধারা তুলে দিয়েছে। তাও আবার খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের ১০ দিন আগে। সাত ধারা বাদ দিয়ে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে নিজেরাই নিজেদের প্রকাশ করেছে।
‘আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, সেই সত্যের মুখোমুখি হতে হবে তাদের। কারণ তারাই সেই ভয় ও ভীতির কারণ সৃষ্টি করেছেন। নিজেরাই নিজেদের ফাঁদে পড়েছেন, দুর্নীতিবাজ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেছেন,’ বলেন তিনি।
ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন এরপর আমি কিছু বলতে চাই না।
























