০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বড়দিন উদযাপনে মেতেছেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা

খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন পাড়ায় বড়দিনের আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। সকাল থেকে প্রার্থনা ও ধর্মীয় গানের মধ্যে দিয়ে খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন পালিত হচ্ছে। রোববার, ২৫ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জেলার বিভিন্ন গির্জা ও চার্চে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করছেন তারা।

এর আগে ২৪ ডিসেম্বর রাতে সকল গির্জায় বড়দিন উপলক্ষে রাত ১২টা ১ মিনিটে কেক কাটা হয়। খাগড়াছড়িতে ৬১টি গির্জা ও চার্চ ছাড়াও বিভিন্ন খ্রিষ্টান পল্লীতে উৎসবের আমেজ চলছে।

পুষ্পিতা ত্রিপুরা জানান, সারা পৃথিবীতে আমরা একযুগে বড়দিন পালন করছি। এই দিনে প্রভু যিশু খ্রিষ্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই আমরা খ্রিষ্টান ভাই-বোনেরা এই দিনটিতে এক হয়ে উৎসবের মাধ্যেমে পালন করে থাকি।

বিনা ত্রিপুরা বলেন, আমরা বড়দিন উপলক্ষে সকাল থেকে খাগড়াপুর চার্চে এসেছি। আমরা এখানে গান বাজনা শেষে কেক কেটে আনন্দ উল্লাস করছি। সারাদিন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বেড়াব। অনেক খাওয়া দাওয়া হবে। অনেক মজা করব সবাই মিলে।

জয়া ত্রিপুরা জানান, আমাদের জন্য এটি অনেক বড় উৎসব। সবাই মিলে আনন্দে মেতে উঠেছি সকাল থেকে। আজ সারাদিন বন্ধুদের নিয়ে ঘুরব। সবার বাড়িতে গিয়ে গান করব। আনন্দ উল্লাসে দিন কাটাব।

দুপুর বেলায় প্রতিটি চার্চে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে বড়দিন উদযাপনে জেলা উপজেলার সব চার্চ ও গির্জায় আনন্দ উল্লাস করবে সবাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

বড়দিন উদযাপনে মেতেছেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা

প্রকাশিত : ১২:০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন পাড়ায় বড়দিনের আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। সকাল থেকে প্রার্থনা ও ধর্মীয় গানের মধ্যে দিয়ে খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন পালিত হচ্ছে। রোববার, ২৫ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জেলার বিভিন্ন গির্জা ও চার্চে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করছেন তারা।

এর আগে ২৪ ডিসেম্বর রাতে সকল গির্জায় বড়দিন উপলক্ষে রাত ১২টা ১ মিনিটে কেক কাটা হয়। খাগড়াছড়িতে ৬১টি গির্জা ও চার্চ ছাড়াও বিভিন্ন খ্রিষ্টান পল্লীতে উৎসবের আমেজ চলছে।

পুষ্পিতা ত্রিপুরা জানান, সারা পৃথিবীতে আমরা একযুগে বড়দিন পালন করছি। এই দিনে প্রভু যিশু খ্রিষ্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই আমরা খ্রিষ্টান ভাই-বোনেরা এই দিনটিতে এক হয়ে উৎসবের মাধ্যেমে পালন করে থাকি।

বিনা ত্রিপুরা বলেন, আমরা বড়দিন উপলক্ষে সকাল থেকে খাগড়াপুর চার্চে এসেছি। আমরা এখানে গান বাজনা শেষে কেক কেটে আনন্দ উল্লাস করছি। সারাদিন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বেড়াব। অনেক খাওয়া দাওয়া হবে। অনেক মজা করব সবাই মিলে।

জয়া ত্রিপুরা জানান, আমাদের জন্য এটি অনেক বড় উৎসব। সবাই মিলে আনন্দে মেতে উঠেছি সকাল থেকে। আজ সারাদিন বন্ধুদের নিয়ে ঘুরব। সবার বাড়িতে গিয়ে গান করব। আনন্দ উল্লাসে দিন কাটাব।

দুপুর বেলায় প্রতিটি চার্চে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে বড়দিন উদযাপনে জেলা উপজেলার সব চার্চ ও গির্জায় আনন্দ উল্লাস করবে সবাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব