পৃথিবীতে ৭০ হাজার ভাষা থাকলেও মাতৃভাষা ছাড়া কোনো মানুষ তার মনের ভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে পারে না। কেবল মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমারা আমাদের অনুভূতি শতভাগ প্রকাশ করতে পারি। যার যার মাতৃভাষা তার তার সংস্কৃতি ও সাহিত্যের পরিচয় বহন করে। আামাদের উচিত এই পৃথিবীর সব ভাষাকেই সমান ও মর্যাদা দেওয়া।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত সাহিত্য প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসকল কথা বলেন বাকৃবি ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ওই পুরষ্কার বিতরণীর আয়োজন করে বাকৃবি সাহিত্য সংঘ।
এসময় ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৫২ সালে পাকিস্তানিরা চেয়েছিলো উর্দু হোক এই দেশের মাতৃভাষা। কিন্তু এদেশের মানুষ তা মেনে নেয়নি। তাইতো আন্দোলনের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে মাতৃভাষা অর্জন করতে হয়েছে।
জানা যায়, এবছর প্রতিযোগিতাটি বইকথন, বুকগ্রাফি এবং মায়ের ভাষায় মাকে লিখি এই তিনটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। বইকথন বিভাগে প্রথম হয়েছেন মো ফাহাদ হোসেন ফাহিম, দ্বিতীয় হয়েছেন সাদিয়া ইসলাম সিনজা ও যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছেন মো হাবিবুর রহমান মুন্না ও সাদিয়া ইসলাম সিনজা। বুকগ্রাফি বিভাগে প্রথম হয়েছেন মাশশারাত মালিহা, দ্বিতীয় হয়েছেন শেখ মো. মহিউদ্দিন সজীব, তৃতীয় হয়েছেন সাবরিনা আফরিন ।
‘মা’য়ের ভাষায় মাকে লিখি’ বিভাগটি ছিলো বিশ^বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য। এবিভাগে প্রথম হয়েছেন নেপালের আস্মিতা ভুজেল, দ্বিতীয় হয়েছেন নেপালের সীতারাম গিরি ও তৃতীয় হয়েছেন মালয়েশিয়ার ধীভিয়ান পাননীর সিলভান। অনুষ্ঠানে তিনটি বিভাগ থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।
বাকৃবি সাহিত্য সংঘের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মনজুর এলাহী সৌরভের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম। এছাড়াও সাহিত্য সংঘের অন্যান্য সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
******




















