০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত

খুলনায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলাকারীরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (০২ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) জরুরী সভা শেষে এই ঘোষণা দেন সংগঠনের জেলা সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম।
তিনি বলেন, চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী গ্রেফতার এবং ডাক্তারের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না হাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। আগামী শনিবার (০৪ মার্চ) শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় খুলনা বিএমএ ভবনে কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ডা. বাহারুল ইসলাম বলেন, আমরা শুধু কর্মস্থলের নিরাপত্তাটুকু চেয়েছি। আজকের দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠকে চিকিৎসকরা শনিবার সাধারণ সভা ডেকেছেন। সেখানে চিকিৎসকদের গণপদত্যাগের একটি সিদ্ধান্ত চলে আসতে পারে। কারণ আমি পদে থেকে আর কতদিন নিবৃত থাকব।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি শুরু করেন চিকিৎকরা। বৃহস্পতিবারও হাসপাতালে যাননি কোনো চিকিৎসক। টানা দুই দিন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসক না থাকায় অবর্ণীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রোগীরা।
প্রসঙ্গত, ডা. নিশাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার সকাল ৬টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন চিকিৎসকরা। এতে করে সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা নিতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরাও সেবা পাচ্ছেন না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

খুলনায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত

প্রকাশিত : ০৭:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

খুলনায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলাকারীরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (০২ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) জরুরী সভা শেষে এই ঘোষণা দেন সংগঠনের জেলা সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম।
তিনি বলেন, চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী গ্রেফতার এবং ডাক্তারের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না হাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। আগামী শনিবার (০৪ মার্চ) শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় খুলনা বিএমএ ভবনে কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ডা. বাহারুল ইসলাম বলেন, আমরা শুধু কর্মস্থলের নিরাপত্তাটুকু চেয়েছি। আজকের দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠকে চিকিৎসকরা শনিবার সাধারণ সভা ডেকেছেন। সেখানে চিকিৎসকদের গণপদত্যাগের একটি সিদ্ধান্ত চলে আসতে পারে। কারণ আমি পদে থেকে আর কতদিন নিবৃত থাকব।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি শুরু করেন চিকিৎকরা। বৃহস্পতিবারও হাসপাতালে যাননি কোনো চিকিৎসক। টানা দুই দিন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসক না থাকায় অবর্ণীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রোগীরা।
প্রসঙ্গত, ডা. নিশাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার সকাল ৬টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন চিকিৎসকরা। এতে করে সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা নিতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরাও সেবা পাচ্ছেন না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ