০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নিহতদের ২ জন মতলবের , বাড়িতে মাতম

ঢাকার সিদ্দিক বাজারের নর্থসাউথ রোডের সাত তলা পৌর ভবনে বিস্ফোরণে নিহত ১৭ জনের মধ্যে দুই জনের বাড়ি চাঁদপুরে। তারা হলেন, আল আমিন (২১) ও তার খালাত ভাই মানছুর আহমেদ (৪০)।

বুধবার (৮ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মতলব উপজেলার ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফেরদৌস আলম।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেলে সিদ্দিক বাজারে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকে অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আল আমিন মতলব উত্তরের ষাটনল ইউনিয়নের পশ্চিম লালপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে ও ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলোজি অ্যান্ড সাইন্সের (ইউআইটিএস) দ্বিতীয় ছাত্র ছিলেন। আর তার খালাত ভাই মানছুর আহমেদ একই উপজেলার ছেঙ্গারচরের মোশারফ মিয়াজীর ছেলে। তিনি ঢাকার ফুলবাড়িয়া মার্কেটে ব্যবসা করতেন। মৃত্যুর খবর সইতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আল-আমিনের মা। এখন দুই পরিবারে চলছে স্বজনদের আহাজারি।

আল আমিনের ভাই আব্দুল আহাদ বলেন, ‘ফুলবাড়িয়া সিটি সুপার মার্কেটের বেজমেন্টে আমার খালাদের মশারির দোকান আছে। সেখানে ভাইয়া গিয়েছিল। তারা দুজন একসঙ্গে ওই মার্কেটে যায়। তাদের দুজনেরই মৃত্যুর খবর পাব, এটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না।’

আল আমিনের ফুফা খোরশেদ আলম বলেন, ‘মানছুর ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছিল। সেটির জন্য স্যানিটারি জিনিসপত্র কেনার জন্য তার আল-আমিনকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্দিক বাজার গিয়েছিল। সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনার পর আমরা খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছি। রাত ১১টার পর তাদের লাশ বুঝে পেয়েছি। এখন অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই জনের লাশ মতলব উত্তরের গ্রামের বাড়িতে এনেছি।’

এ বিষয়ে ষাটনল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আল আমিনের মৃত্যুর খবর তার স্বজনদের কাছ থেকে জেনেছি। ছেলেটি মেধাবী এবং ভালো ছিল। তার বাবা প্রবাসে থেকে এখন আহাজারি করছেন।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

নিহতদের ২ জন মতলবের , বাড়িতে মাতম

প্রকাশিত : ০৯:৪২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩

ঢাকার সিদ্দিক বাজারের নর্থসাউথ রোডের সাত তলা পৌর ভবনে বিস্ফোরণে নিহত ১৭ জনের মধ্যে দুই জনের বাড়ি চাঁদপুরে। তারা হলেন, আল আমিন (২১) ও তার খালাত ভাই মানছুর আহমেদ (৪০)।

বুধবার (৮ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মতলব উপজেলার ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফেরদৌস আলম।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেলে সিদ্দিক বাজারে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকে অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আল আমিন মতলব উত্তরের ষাটনল ইউনিয়নের পশ্চিম লালপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে ও ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলোজি অ্যান্ড সাইন্সের (ইউআইটিএস) দ্বিতীয় ছাত্র ছিলেন। আর তার খালাত ভাই মানছুর আহমেদ একই উপজেলার ছেঙ্গারচরের মোশারফ মিয়াজীর ছেলে। তিনি ঢাকার ফুলবাড়িয়া মার্কেটে ব্যবসা করতেন। মৃত্যুর খবর সইতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আল-আমিনের মা। এখন দুই পরিবারে চলছে স্বজনদের আহাজারি।

আল আমিনের ভাই আব্দুল আহাদ বলেন, ‘ফুলবাড়িয়া সিটি সুপার মার্কেটের বেজমেন্টে আমার খালাদের মশারির দোকান আছে। সেখানে ভাইয়া গিয়েছিল। তারা দুজন একসঙ্গে ওই মার্কেটে যায়। তাদের দুজনেরই মৃত্যুর খবর পাব, এটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না।’

আল আমিনের ফুফা খোরশেদ আলম বলেন, ‘মানছুর ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছিল। সেটির জন্য স্যানিটারি জিনিসপত্র কেনার জন্য তার আল-আমিনকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্দিক বাজার গিয়েছিল। সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনার পর আমরা খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছি। রাত ১১টার পর তাদের লাশ বুঝে পেয়েছি। এখন অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই জনের লাশ মতলব উত্তরের গ্রামের বাড়িতে এনেছি।’

এ বিষয়ে ষাটনল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আল আমিনের মৃত্যুর খবর তার স্বজনদের কাছ থেকে জেনেছি। ছেলেটি মেধাবী এবং ভালো ছিল। তার বাবা প্রবাসে থেকে এখন আহাজারি করছেন।’