০৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

৬০ অভিযোগ নিয়ে ময়মনসিংহে দুদকের গণশুনানি

ময়মনসিংহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়ায় ৬০টি অভিযোগের ভিত্তিতে গণশুনানি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন।

সোমবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়। দুদক বিভাগীয় ও জেলা সমন্বিত কার্যালয় এই আয়োজন করে।

 

সেবা বঞ্চিত ও হয়রানির শিকার হওয়ায় ভুক্তভোগীদের দায়ের করা ৬০টি অভিযোগের শুনানি করেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক।

 

বিচার প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে শুনানির মাধ্যমে বেশির ভাগ অভিযোগের নিষ্পত্তি  করা হয় শুনানিতে।

 

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সদর সাব রেজিস্ট্রার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেলওয়ে, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সোনালি ও কৃষি ব্যাংক, জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও সমাজসেবা কার্যালয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কিছু অভিযোগ আগামী সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে যেসব অভিযোগ ও ঘটনার সঙ্গে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ ও নির্দেশনা রয়েছে তা খতিয়ে দেখে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পালন করারও নির্দেশ দেন দুদক কমিশনার (তদন্ত)।

 

গণশুনানির নোটিশ পেয়েও উপস্থিত না থাকার কারণে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিন্টেডেন্ট) এস.এম নাজমুল হক খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. হরিশংকর দাসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মোস্তাফিজার রহমান, দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আবুল হোসেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জ (পুলিশ) ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (প্রতিরোধ) মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

 

গণশুনানিতে দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেন, ‘প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। এই পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত সমাজে তারা ভিআইপি ও সিআইপি হিসেবে পরিচিত। এই অবস্থায় ‘দুর্নীতি প্রতিরোধের চেয়ে নিজেকে দুর্নীতি মুক্ত রাখবো’ এই স্লোগান বাস্তবায়নের জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য আমরা চাই ময়মনসিংহ দুর্নীতি মুক্ত মডেল জেলা হিসেবে দেশে পরিচিতি লাভ করুক। সবার সহযোগীতা ও আন্তারিকতা অপরিহার্য।

 

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুদক ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক ঋত্বিক সাহা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

৬০ অভিযোগ নিয়ে ময়মনসিংহে দুদকের গণশুনানি

প্রকাশিত : ০৫:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

ময়মনসিংহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়ায় ৬০টি অভিযোগের ভিত্তিতে গণশুনানি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন।

সোমবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়। দুদক বিভাগীয় ও জেলা সমন্বিত কার্যালয় এই আয়োজন করে।

 

সেবা বঞ্চিত ও হয়রানির শিকার হওয়ায় ভুক্তভোগীদের দায়ের করা ৬০টি অভিযোগের শুনানি করেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক।

 

বিচার প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে শুনানির মাধ্যমে বেশির ভাগ অভিযোগের নিষ্পত্তি  করা হয় শুনানিতে।

 

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সদর সাব রেজিস্ট্রার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেলওয়ে, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সোনালি ও কৃষি ব্যাংক, জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও সমাজসেবা কার্যালয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কিছু অভিযোগ আগামী সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে যেসব অভিযোগ ও ঘটনার সঙ্গে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ ও নির্দেশনা রয়েছে তা খতিয়ে দেখে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পালন করারও নির্দেশ দেন দুদক কমিশনার (তদন্ত)।

 

গণশুনানির নোটিশ পেয়েও উপস্থিত না থাকার কারণে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিন্টেডেন্ট) এস.এম নাজমুল হক খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. হরিশংকর দাসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মোস্তাফিজার রহমান, দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আবুল হোসেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জ (পুলিশ) ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (প্রতিরোধ) মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

 

গণশুনানিতে দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেন, ‘প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। এই পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত সমাজে তারা ভিআইপি ও সিআইপি হিসেবে পরিচিত। এই অবস্থায় ‘দুর্নীতি প্রতিরোধের চেয়ে নিজেকে দুর্নীতি মুক্ত রাখবো’ এই স্লোগান বাস্তবায়নের জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য আমরা চাই ময়মনসিংহ দুর্নীতি মুক্ত মডেল জেলা হিসেবে দেশে পরিচিতি লাভ করুক। সবার সহযোগীতা ও আন্তারিকতা অপরিহার্য।

 

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুদক ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক ঋত্বিক সাহা।