ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (একাংশ) মোফাজ্জল হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাতে ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবীতে বুধবার বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। এসময় বিক্ষোভ মিছিলে অংশনেন তাঁর পিতা ২নং গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলীও। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে কালীখলাস্থ দলীয় কর্যালয়ে এসে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি (একাংশ) উত্তম সরকার। সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শরীফুল ইসলাম চৌধুরী, মনির হোসেন, নোমান, আনিসুর রহমান আপন, সাগর, তাপস, খাইরুল ইসলাম, তায়েব, রফিক, সোহাগ, সাকিব প্রমুখ।
উল্লেখ্য গত সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে গৌরীপুর পৌর শহরের পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (একাংশ) মোফাজ্জল হোসেনেকে (২৭) ছুরিকাঘাত করে আহত করে দুবৃত্তরা। ঐসময় মোফাজ্জল হোসেন পৌর শহরের কলাবাগান মহল্লা থেকে পায়ে হেঁটে উপজেলা পরিষদের দিকে আসছিলেন। পথিমধ্যে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে আসতেই দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে মোফাজ্জলের বাম হাতে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোতাসসের ফুয়াদ বলেন, মোফাজ্জলের হাতে আঘাতের ক্ষত দেখে মনে হচ্ছে রগ কেটে যেতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।
মোফাজ্জলের বাবা গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, আমার ছেলে এখনো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। কিছুদিন আগে স্থানীয় একটি পক্ষ আমাকে ছুরিকাঘাত করে। আমার ধারণা ওই পক্ষটিই আমার ছেলের ওপর হামলা করেছে। তিনি ছেলের উপর হামলাকারীদের বিচার দাবি জানান।
উত্তম সরকার বলেন, মোফাজ্জল তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন মুজিব সৈনিক। তার ওপর হামলায় যারা জড়িত তাদের বিচার দাবি করছি।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




















