০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

গুজব, খালেদা মুক্তি পাবেন

খালেদা জিয়া

গুজবের কারখানা চালু হয়ে গেছে। নির্বাচন এলেই দলবদল আর গুজব মাঠ দখল করে নেয়। এখন প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে তরতাজা গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। এমনকি রাজনীতিকরাও এই কাফেলায় যোগ দিচ্ছেন। বলা হয়ে থাকে- গুজবে কান দেবেন না। তারপরও কেন গুজব ছড়ায়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। রাত থেকে শুনছি, নির্বাচন নাকি তিন মাস এগিয়ে এনে অক্টোবরে স্থির করা হচ্ছে। এর পেছনে কী যুক্তি? বিরোধীদের অপ্রস্তুত রেখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলে অনেকেই নির্বাচনমুখী হয়ে যাবেন। বিরোধীদের আন্দোলন মাঠে মারা যাবে।

আরও গুজব হচ্ছে, নাটকীয়ভাবে কারারুদ্ধ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হবে। যাতে করে বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়। এই গুজবের সত্যতা প্রমাণে যুক্তি হাজির করা হচ্ছে- কোকোর স্ত্রী নাকি এ কারণেই লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন।
ইনসাফ কায়েম কমিটির আলোচিত ‘শেরাটন ডিনার’ নিয়ে টানটান গুজব। এই ডিনারের আয়োজক শওকত মাহমুদ ইতিমধ্যেই বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। আত্মপক্ষ সমর্থনেরও সুযোগ পাননি। এর আগে অবশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দু’দফা শোকজও হয়েছিলেন। ইনসাফের ডিনারে যোগ দিতে এসে অনেক রাজনীতিক নিজ দলের মধ্যেই ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। এরমধ্যে ড. রেজা কিবরিয়া অন্যতম। যদিও তিনি বলছেন, ডিনারের কথা বলেই তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। গণঅধিকার পরিষদ এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। তারা বলছে, এক ব্যক্তির ডিনারের দাওয়াতে কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়াই তিনি সেখানে গেছেন তা মেনে নেয়া যায় না। তাদের কথা, এটা একটা চেনা শক্তির নব-কৌশল।

এই শক্তির আরেক কৌশলে পা দিয়ে রেজা কিবরিয়া রাজনীতির ময়দানে অনেকটাই কোণঠাসা। নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এখন বলছেন, এটা ছিল তার ভুল সিদ্ধান্ত। তার দলের একাধিক নেতা বলছেন, আমাদের নেতা কেন অদৃশ্য শক্তির ঠিকানা জানার চেষ্টা করেন না- এটা আমরা বুঝতে পারি না। সিআইএ’র সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন কথা বলে এক ব্যক্তি ঢাকার এক শ্রেণির রাজনীতিকদের পুতুল নাচ নাচাচ্ছেন। কখনো ব্যাংককে, কখনো ঢাকায় বৈঠক করে এমন ধারণা দিচ্ছেন- কাল সকালেই যেন ক্ষমতার পালাবদল ঘটবে। একজন মার্কিন কূটনীতিক বলছেন, এটা বোগাস এবং হাস্যকর। সিআইএ এ ধরনের কোনো নোংরা খেলার সঙ্গে যুক্ত নয়। এরপরও রাজনীতিকরা বুঝেন না, বিভ্রান্ত হন। কিন্তু কিসের জন্য? বলাবলি আছে, কিছু গোপন ‘সুযোগ-সুবিধা’ তাদের নাকি বিভ্রান্ত করে। তবে এই শক্তির পরিচয় এখন জানাজানি হয়ে গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুজব, খালেদা মুক্তি পাবেন

প্রকাশিত : ০৫:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩

গুজবের কারখানা চালু হয়ে গেছে। নির্বাচন এলেই দলবদল আর গুজব মাঠ দখল করে নেয়। এখন প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে তরতাজা গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। এমনকি রাজনীতিকরাও এই কাফেলায় যোগ দিচ্ছেন। বলা হয়ে থাকে- গুজবে কান দেবেন না। তারপরও কেন গুজব ছড়ায়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। রাত থেকে শুনছি, নির্বাচন নাকি তিন মাস এগিয়ে এনে অক্টোবরে স্থির করা হচ্ছে। এর পেছনে কী যুক্তি? বিরোধীদের অপ্রস্তুত রেখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলে অনেকেই নির্বাচনমুখী হয়ে যাবেন। বিরোধীদের আন্দোলন মাঠে মারা যাবে।

আরও গুজব হচ্ছে, নাটকীয়ভাবে কারারুদ্ধ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হবে। যাতে করে বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়। এই গুজবের সত্যতা প্রমাণে যুক্তি হাজির করা হচ্ছে- কোকোর স্ত্রী নাকি এ কারণেই লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন।
ইনসাফ কায়েম কমিটির আলোচিত ‘শেরাটন ডিনার’ নিয়ে টানটান গুজব। এই ডিনারের আয়োজক শওকত মাহমুদ ইতিমধ্যেই বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। আত্মপক্ষ সমর্থনেরও সুযোগ পাননি। এর আগে অবশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দু’দফা শোকজও হয়েছিলেন। ইনসাফের ডিনারে যোগ দিতে এসে অনেক রাজনীতিক নিজ দলের মধ্যেই ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। এরমধ্যে ড. রেজা কিবরিয়া অন্যতম। যদিও তিনি বলছেন, ডিনারের কথা বলেই তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। গণঅধিকার পরিষদ এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। তারা বলছে, এক ব্যক্তির ডিনারের দাওয়াতে কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়াই তিনি সেখানে গেছেন তা মেনে নেয়া যায় না। তাদের কথা, এটা একটা চেনা শক্তির নব-কৌশল।

এই শক্তির আরেক কৌশলে পা দিয়ে রেজা কিবরিয়া রাজনীতির ময়দানে অনেকটাই কোণঠাসা। নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এখন বলছেন, এটা ছিল তার ভুল সিদ্ধান্ত। তার দলের একাধিক নেতা বলছেন, আমাদের নেতা কেন অদৃশ্য শক্তির ঠিকানা জানার চেষ্টা করেন না- এটা আমরা বুঝতে পারি না। সিআইএ’র সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন কথা বলে এক ব্যক্তি ঢাকার এক শ্রেণির রাজনীতিকদের পুতুল নাচ নাচাচ্ছেন। কখনো ব্যাংককে, কখনো ঢাকায় বৈঠক করে এমন ধারণা দিচ্ছেন- কাল সকালেই যেন ক্ষমতার পালাবদল ঘটবে। একজন মার্কিন কূটনীতিক বলছেন, এটা বোগাস এবং হাস্যকর। সিআইএ এ ধরনের কোনো নোংরা খেলার সঙ্গে যুক্ত নয়। এরপরও রাজনীতিকরা বুঝেন না, বিভ্রান্ত হন। কিন্তু কিসের জন্য? বলাবলি আছে, কিছু গোপন ‘সুযোগ-সুবিধা’ তাদের নাকি বিভ্রান্ত করে। তবে এই শক্তির পরিচয় এখন জানাজানি হয়ে গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh