০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের সবচেয়ে গভীর সমুদ্র বন্দর

পায়রা সমুদ্র বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল এম সোহায়েল বলেছেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্যাপিটাল ড্রেজিং সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে পায়রা দেশের সবচেয়ে গভীরতম সমুদ্র বন্দরে রুপান্তরিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সম্মেলন কক্ষে ড্রেজিং কার্যক্রম শেষে চ্যানেল হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময়, জাতীয় সংসদ সদস্য মুহিব্বুর রহমান, জান ডি নূল-এর প্রকল্প পরিচালক জান মঈন, বন্দরের স্কীম পরিচালক রাজিব ত্রিপুরা সহ বন্দরের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, ড্রেজিংয়ের ফলে ৭৫ নটিক্যাল মাইল দৈর্ঘ এবং ১১০ থেকে ২০০ মিটার প্রস্থের চ্যানেলটির গভীরতা
১০.৫ মিটারে উন্নীত হয়েছে, এর ফলে প্যানামেক্স সাইজের বড় মাদার ভ্যাসেল সহজে প্রতিনিয়ত বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে। ৪০ হাজার মেট্রিকটন পন্য বোঝাই জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের লাইটারেজের প্রয়োজন হবেনা। এতে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বহুগুন বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। শুধু ড্রেজিংই নয় সমান তালে এগিয়ে চলছে বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মান কাজ। মে মাসে বন্দরের ‘প্রথম টার্মিনালের কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে ইনার ও আউটারবারে মার্কিং, বয়া বাতি বসানো হয়েছে। ইনারবারে ১৫টি জাহাজ রাখা যাবে । সেখানে লোডিং আনলোডিং কার্যক্রম চলবে। সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে বেলজিয়াম ভিত্তিক ড্রেজিং কোম্পানি ” Jan De Nul” (জান ডি নূল)। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত তারা মেনেটেইনেন্স ড্রেজিং করবে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের সবচেয়ে গভীর সমুদ্র বন্দর

প্রকাশিত : ০২:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
পায়রা সমুদ্র বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল এম সোহায়েল বলেছেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্যাপিটাল ড্রেজিং সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে পায়রা দেশের সবচেয়ে গভীরতম সমুদ্র বন্দরে রুপান্তরিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সম্মেলন কক্ষে ড্রেজিং কার্যক্রম শেষে চ্যানেল হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময়, জাতীয় সংসদ সদস্য মুহিব্বুর রহমান, জান ডি নূল-এর প্রকল্প পরিচালক জান মঈন, বন্দরের স্কীম পরিচালক রাজিব ত্রিপুরা সহ বন্দরের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, ড্রেজিংয়ের ফলে ৭৫ নটিক্যাল মাইল দৈর্ঘ এবং ১১০ থেকে ২০০ মিটার প্রস্থের চ্যানেলটির গভীরতা
১০.৫ মিটারে উন্নীত হয়েছে, এর ফলে প্যানামেক্স সাইজের বড় মাদার ভ্যাসেল সহজে প্রতিনিয়ত বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে। ৪০ হাজার মেট্রিকটন পন্য বোঝাই জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের লাইটারেজের প্রয়োজন হবেনা। এতে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বহুগুন বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। শুধু ড্রেজিংই নয় সমান তালে এগিয়ে চলছে বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মান কাজ। মে মাসে বন্দরের ‘প্রথম টার্মিনালের কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে ইনার ও আউটারবারে মার্কিং, বয়া বাতি বসানো হয়েছে। ইনারবারে ১৫টি জাহাজ রাখা যাবে । সেখানে লোডিং আনলোডিং কার্যক্রম চলবে। সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে বেলজিয়াম ভিত্তিক ড্রেজিং কোম্পানি ” Jan De Nul” (জান ডি নূল)। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত তারা মেনেটেইনেন্স ড্রেজিং করবে।