মেহেদী হাসান রংপুর মহানগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্মদাস মুন্সি পাড়া এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে । সম্প্রতি সু চিকিৎসার জন্য তাকে সেনেহা মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যানা গেছে, মঙ্গলবার ২৮ মার্চ তার পরিবারের লোকজন মেহেদির সঙ্গে দেখা করে।
বুধবার সকালে পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয় মেহেদী মারা গেছে। পরে পরিবারের লোকজন ঘটনায় চলে এসে জানতে পারে মেহেদী আত্মহত্যা করেছে। তবে স্বজনদের দাবি, মেহেদী দিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি জানান। এদিকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন স্নেহা মাদকাসক্তি ও মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা মনোয়ার কাদের মাসুম । তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেহেদী হাসানের ভাই এসে দেখা করে গেছেন। মেহেদী হাসান রোজা রাখতে রাতে সেহরি খেয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আমাদের ও ঘুমায়। এরই মধ্যে সকালে জানতে পারি এরকম একটি দুর্ঘটনা (আত্মহত্যার )কথা! এই রোগী এর আগেও মাদকাসক্ত হওয়ায় আমাদের এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। স্নেহা মাদকাসক্তি ও মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্রের আরেক জন শিমুল ইসলাম বলেন, আমরা ময়নাতদন্তের কথা বলেছি কিন্তু মেহেদীর আত্মীয়-স্বজনরা সেটাতে রাজি না হয়ে লাশ নিয়ে গিয়ে দাফন কার্য সম্পন্ন করে।
মেট্রোপলিটন রংপুর পুলিশের কোতোয়ালি থানার উপ পরিদর্শক এসআই মিঠু আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে থেকে মরাদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ যানা যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




















