১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬

পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই

বঙ্গবাজারের প্রতিটি দোকানে ঈদকে সামনে রেখে নতুন করে কাপড় মজুদ করেন ব‌্যবসায়ীরা। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আহাজারি করছেন।

মার্কেটের ব্যবসায়ী আশিক মিয়া বলেন, ঈদ উপলক্ষে লাখ লাখ টাকার মালামাল তুলেছিলাম। আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তার মতো এ সময় শত শত ব্যবসায়ী আর্তনাদ করছিলেন। এছাড়া, আশপাশের মার্কেট থেকে ব‌্যবাসীয়রা মালামাল বের করে আনছেন।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বলেন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল সকাল ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার পরপরই আমরা সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করি। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চলছে।

ঘটনাস্থল থেকে ব্যবসায়ী হেদায়েতুল্লাহ বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেলো। মার্কেটের ভেতরে একটা কাপড়ের দোকান ছিল। ঈদকে সামনে রেখে সেই দোকানে ধার দেনা করে কাপড় তুলেছিলাম। সকাল বেলা এসে দেখি সব স্বপ্ন পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার বেঁচে থাকার কোনো উপায় থাকলো না।

অনকে ব‌্যবসায়ী বলেন, করোনার করাণে গত দুই বছর ব‌্যবসা হয়নি। এ বছর ঈদে একটা ভালো ব্যবসা হবে এমন আশায় অনেকে ঋণ নিয়েও মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে পুঁজি হারিয়ে তারা সেই মার্কেটের সামনে বুক চাপড়ে বিলাপ করছেন।

অন্যদিকে, আশপাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চেষ্টা করছেন মালামাল বের করার। অনেকে দোকান থেকে মালামাল বের করে এনে ফুটপাতে জড়ো করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ

পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই

প্রকাশিত : ১১:১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩

বঙ্গবাজারের প্রতিটি দোকানে ঈদকে সামনে রেখে নতুন করে কাপড় মজুদ করেন ব‌্যবসায়ীরা। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আহাজারি করছেন।

মার্কেটের ব্যবসায়ী আশিক মিয়া বলেন, ঈদ উপলক্ষে লাখ লাখ টাকার মালামাল তুলেছিলাম। আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তার মতো এ সময় শত শত ব্যবসায়ী আর্তনাদ করছিলেন। এছাড়া, আশপাশের মার্কেট থেকে ব‌্যবাসীয়রা মালামাল বের করে আনছেন।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বলেন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল সকাল ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার পরপরই আমরা সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করি। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চলছে।

ঘটনাস্থল থেকে ব্যবসায়ী হেদায়েতুল্লাহ বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেলো। মার্কেটের ভেতরে একটা কাপড়ের দোকান ছিল। ঈদকে সামনে রেখে সেই দোকানে ধার দেনা করে কাপড় তুলেছিলাম। সকাল বেলা এসে দেখি সব স্বপ্ন পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার বেঁচে থাকার কোনো উপায় থাকলো না।

অনকে ব‌্যবসায়ী বলেন, করোনার করাণে গত দুই বছর ব‌্যবসা হয়নি। এ বছর ঈদে একটা ভালো ব্যবসা হবে এমন আশায় অনেকে ঋণ নিয়েও মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে পুঁজি হারিয়ে তারা সেই মার্কেটের সামনে বুক চাপড়ে বিলাপ করছেন।

অন্যদিকে, আশপাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চেষ্টা করছেন মালামাল বের করার। অনেকে দোকান থেকে মালামাল বের করে এনে ফুটপাতে জড়ো করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব