বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরের প্রধান বাজার পৌরসভার বুধবার, ৫ মার্চ সকালে মাছের বাজারে মাছ কিনছিলেন সাধারণ ক্রেতারা। পবিত্র রমজানে মধ্যবিত্তের জন্য মাছই উপযুক্ত বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।
মাছ ক্রেতা আমিরুল ইসলাম বলেন, গরুর মাংস ৭০০ এবং খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজি। এর বিপরীতে চাষের বড় আকারের যেকোনো মাছ ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি পাওয়া যায়। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এবারের রমজানে মাছের ওপরেই ভরসা করতে হবে।
স্থানীয়রা জানান, দেশের অন্যান্য উপজেলার মতো প্রতি বছর ভেড়ামারাতে রমজানের শুরুতে মাছ, মাংস, শাকসবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। অনেক সময় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেও দাম বাড়ানো হয়। এবারও দাম বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজিতে কেজিপ্রতি ১০ টাকা, মাছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও মুরগিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা দাম বেড়েছে। কাঁচামরিচসহ জেলার বাইরে থেকে আসা সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা এলাকার কৃষক মন্সুর আলী বলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা টমেটো ১০ টাকা, লাউ আকার অনুযায়ী ১৫ থেকে ২০ টাকা, শসা ২০ টাকা কেজি দরে কিনে নিয়ে যান। তবে তারা বাজারে দ্বিগুণ দামে খুচরা বিক্রি করেন।
ভেড়ামারা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী জয়নাল হোসেন বলেন, স্থানীয়ভাবে মাছের জোগান কম। এখানে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর থেকে পুকুরে চাষ করা বড় আকারের মাছ আসে। কয়েকদিন আগে এসব মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হতো। এখন ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি করছি। আমরা কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা লাভ করি। তবে দেশি ও নদীর মাছের চাহিদা বেশি এবং জোগান কম হওয়ায় দাম সব সময় বেশি থাকে।
চাঁদ গ্রাম এলাকার দিনমজুর আব্দুল মমিন বলেন, আমাদের মতো পেশাজীবীদের অবস্থা ভালো না। মাছ, মাংস আমাদের কপালে জোটে না। আগে যেভাবে চলতাম, পবিত্র রমজানে সেভাবে চলেই রোজা রাখতে হবে।
এ বিষয়ে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তারা বলেন, নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত কেউ নিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















