১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

মসজিদে সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় ক্ষোভ মহল্লাবাসীর

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর নোয়াপাড়া পান্জেখানা মসজিদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে একই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে পুলিশ সদস্য মোঃ সেলিম এর সাথে মসজিদ কমিটির সভাপতি,সেক্রেটারী সহ সকল মুসল্লী ও মহল্লাবাসীর দীর্ঘদিন ধরে বাক বিতন্ডা চলছে।গত সোমবার মসজিদ কমিটি প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে পুলিশ সদস্য সেলিম জরুরী সেবা ৯৯৯ কল দিয়ে বুড়িচং থানায় অভিযোগ জানায়।অভিযোগের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা সাব ইনস্পেকটর মিঠুন সরকার সরজমিনে যান।তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ সদস্য সেলিমকে জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে কোর্টের শরণাপন্ন হতে বলেন এবং এই বিষয়ে যেন কোন আপত্তিকর ঘটনা না ঘটে, এতে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।তবে ঘটনাস্হলে গিয়ে দেখা যায় ভিন্নরুপ,আলী হোসেন,আলী আশ্রাফ, আলমগীর হোসেন,আবুল হাসেমের উপস্থিতিতে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলী হোসেন পুলিশ সদস্য সেলিমের আপন জেঠা বলেন এই সম্পতি সাদকপুর নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আহাম্মদ মাস্টারের ওহাকফাকৃত।যার সাদকপুর মৌজার খতিয়ান নং৩৮৫৬,৩৮৫৭(জমির পরিমাণ ২.১৫ শতক)।এই মসজিদের জমির বিষয়ে এলাকার প্রায় সকলে “পুলিশ সদস্য” সেলিমের নিষেধাজ্ঞাকে তীব্র নিন্দা ও ঘৃণার চোখে দেখছে।অপরদিকে মুঠোফোনে পুলিশ সদস্য সেলিমকে কল দিলে,তিনি জানায় মসজিদের জমিতে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আছে যা এখনো ওহাকফা দেয়া হয়নি,আমার পরিবারের সকল সদস্যদের মতামত নিয়ে প্রয়োজনে ওহাকফা দলিল নিয়ে প্রাচীর নির্মাণের কাজ করুক।তবে এ নিয়ে এলাকায় জনমনে নানান ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফুটবল দলের নতুন কোচ থমাস ডুলি, সকালেই এলেন ঢাকায়

মসজিদে সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় ক্ষোভ মহল্লাবাসীর

প্রকাশিত : ০৮:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর নোয়াপাড়া পান্জেখানা মসজিদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে একই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে পুলিশ সদস্য মোঃ সেলিম এর সাথে মসজিদ কমিটির সভাপতি,সেক্রেটারী সহ সকল মুসল্লী ও মহল্লাবাসীর দীর্ঘদিন ধরে বাক বিতন্ডা চলছে।গত সোমবার মসজিদ কমিটি প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে পুলিশ সদস্য সেলিম জরুরী সেবা ৯৯৯ কল দিয়ে বুড়িচং থানায় অভিযোগ জানায়।অভিযোগের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা সাব ইনস্পেকটর মিঠুন সরকার সরজমিনে যান।তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ সদস্য সেলিমকে জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে কোর্টের শরণাপন্ন হতে বলেন এবং এই বিষয়ে যেন কোন আপত্তিকর ঘটনা না ঘটে, এতে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।তবে ঘটনাস্হলে গিয়ে দেখা যায় ভিন্নরুপ,আলী হোসেন,আলী আশ্রাফ, আলমগীর হোসেন,আবুল হাসেমের উপস্থিতিতে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলী হোসেন পুলিশ সদস্য সেলিমের আপন জেঠা বলেন এই সম্পতি সাদকপুর নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আহাম্মদ মাস্টারের ওহাকফাকৃত।যার সাদকপুর মৌজার খতিয়ান নং৩৮৫৬,৩৮৫৭(জমির পরিমাণ ২.১৫ শতক)।এই মসজিদের জমির বিষয়ে এলাকার প্রায় সকলে “পুলিশ সদস্য” সেলিমের নিষেধাজ্ঞাকে তীব্র নিন্দা ও ঘৃণার চোখে দেখছে।অপরদিকে মুঠোফোনে পুলিশ সদস্য সেলিমকে কল দিলে,তিনি জানায় মসজিদের জমিতে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আছে যা এখনো ওহাকফা দেয়া হয়নি,আমার পরিবারের সকল সদস্যদের মতামত নিয়ে প্রয়োজনে ওহাকফা দলিল নিয়ে প্রাচীর নির্মাণের কাজ করুক।তবে এ নিয়ে এলাকায় জনমনে নানান ক্ষোভ বিরাজ করছে।