০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

মৃদু তাপদাহে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

টাঙ্গাইলে গত এক সপ্তাহ যাবত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে টাঙ্গাইলে মৃদু তাপদাহ বইছে। শনিবার সকাল থেকে বেলা যতই বাড়ছে ততই তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। টাঙ্গাইলে আরো কয়েক দিন তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা।
সকাল থেকে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর, বটতলা, সাবালিয়া, রেজিষ্ট্রিপাড়া নিরালা মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রিকশা চালক ও নিম্ন আয়ের মানুষরা গরমে হাসফাঁস করছে। বিশেষ করে রিকশা চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। কোন কোন রিকশা চালক গাছের নিচে রিকশায় বসে আবার কেউ দোকানে বসে বিশ্রাম নিচ্ছে।
জেলা সদর সড়কে কথা হয় রিকশা চালক মোজাম্মেল মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, কয়েক দিন রোদ্রের তাপ অনেক বেশি। এতে রোজা রেখে রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হয়। এছাড়াও রোদের বেশি হলে মানুষ ঘর থেকে বের কম হয়। এতে আমাদের আয় কমে গেছে। চলতেও খুব কষ্ট হচ্ছে।
অপর রিকশা চালক রূপচান মিয়া বলেন, দুই সপ্তাহ পর ঈদ। প্রচন্ড রোদের কারনে স্বাভাবিক আধা ঘন্টা রিকশা চালাই আর আধা ঘন্টা বিশ্রাম নেই। এতে রোজগার অনেকটা কমে গেছে।
রাজ মিস্ত্রির শ্রমিক হুমায়ন মিয়া বলেন, অন্যান্য পেশার তুলনায় আমাদের কাজে পরিশ্রম বেশি। আর কয়েক দিনের রোদে আর বেশি কষ্ট হচ্ছে।
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সময়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি। এছাড়াও চৈত্র মাসের কারনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শনিবার টাঙ্গাইলে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ২২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ছিলো ৩৬ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাশে জলীয় বাষ্পের আদ্রতা অনেক কম থাকায় গরম ততটা অনুভব হয় না। তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

মৃদু তাপদাহে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

প্রকাশিত : ০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

টাঙ্গাইলে গত এক সপ্তাহ যাবত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে টাঙ্গাইলে মৃদু তাপদাহ বইছে। শনিবার সকাল থেকে বেলা যতই বাড়ছে ততই তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। টাঙ্গাইলে আরো কয়েক দিন তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা।
সকাল থেকে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর, বটতলা, সাবালিয়া, রেজিষ্ট্রিপাড়া নিরালা মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রিকশা চালক ও নিম্ন আয়ের মানুষরা গরমে হাসফাঁস করছে। বিশেষ করে রিকশা চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। কোন কোন রিকশা চালক গাছের নিচে রিকশায় বসে আবার কেউ দোকানে বসে বিশ্রাম নিচ্ছে।
জেলা সদর সড়কে কথা হয় রিকশা চালক মোজাম্মেল মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, কয়েক দিন রোদ্রের তাপ অনেক বেশি। এতে রোজা রেখে রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হয়। এছাড়াও রোদের বেশি হলে মানুষ ঘর থেকে বের কম হয়। এতে আমাদের আয় কমে গেছে। চলতেও খুব কষ্ট হচ্ছে।
অপর রিকশা চালক রূপচান মিয়া বলেন, দুই সপ্তাহ পর ঈদ। প্রচন্ড রোদের কারনে স্বাভাবিক আধা ঘন্টা রিকশা চালাই আর আধা ঘন্টা বিশ্রাম নেই। এতে রোজগার অনেকটা কমে গেছে।
রাজ মিস্ত্রির শ্রমিক হুমায়ন মিয়া বলেন, অন্যান্য পেশার তুলনায় আমাদের কাজে পরিশ্রম বেশি। আর কয়েক দিনের রোদে আর বেশি কষ্ট হচ্ছে।
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সময়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি। এছাড়াও চৈত্র মাসের কারনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শনিবার টাঙ্গাইলে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ২২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ছিলো ৩৬ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাশে জলীয় বাষ্পের আদ্রতা অনেক কম থাকায় গরম ততটা অনুভব হয় না। তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ