০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নিরাপত্তার দাবিতে নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবারের রূপগঞ্জ থানায় অবস্থান

“আমরা বাঁচতে চাই, আমাদের বাঁচতে দিন, নয়তো থানা হযরত আশ্রয় দিন” এই দাবি নিয়ে বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল কিরণসহ তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা চেয়ে রূপগঞ্জ থানায় অবস্থান নিয়েছেন।
রোববার (০৯ এপ্রিল) দুপুরে দুই ঘন্টা অবস্থান নেয়ার পর এএসপি (গ-সার্কেল) আবির হোসেন এসে নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে পরিবার অবস্থান তুলে নেন।
সাংবাদিক সোহেল কিরণের বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ৪ এপ্রিল রাতে কাঞ্চন বাজারে সোহেল কিরণকে কলি বাহিনীর সন্ত্রাসী কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় গোলাম রসুল কলিকে প্রধান আসামী করে সন্ত্রাসী আফজালসহ ৭/৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার ৫দিন পার হয়ে গেলেও মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নিতে নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। একটি বড় প্রভাবশালী এতে সহযোগীতা করছে বলে জানতে পেরেছি। এছাড়া যে কোন সময় হত্যার শিকার হতে পারি আমরা। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই বাধ্য হয়ে রূপগঞ্জ থানায় এসে আশ্রয় চেয়েছি।

সোহেল কিরণের মা রওশন আরা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে তাদের বিচার চাই। আমার ছেলে কারো কোন ক্ষতি করেনি। ছোট নাতিটাকে যারা এতিম করতে চেয়েছে আল্লাহ তাদের বিচার করবো।

এএসপি (গ-সার্কেল) আবির হোসেন বলেন, সোহেল কিরণের বিষয়টি আমরা নিজের মনে করছি। অব্যশই তার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

নিরাপত্তার দাবিতে নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবারের রূপগঞ্জ থানায় অবস্থান

প্রকাশিত : ০৪:১৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩

“আমরা বাঁচতে চাই, আমাদের বাঁচতে দিন, নয়তো থানা হযরত আশ্রয় দিন” এই দাবি নিয়ে বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল কিরণসহ তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা চেয়ে রূপগঞ্জ থানায় অবস্থান নিয়েছেন।
রোববার (০৯ এপ্রিল) দুপুরে দুই ঘন্টা অবস্থান নেয়ার পর এএসপি (গ-সার্কেল) আবির হোসেন এসে নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে পরিবার অবস্থান তুলে নেন।
সাংবাদিক সোহেল কিরণের বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ৪ এপ্রিল রাতে কাঞ্চন বাজারে সোহেল কিরণকে কলি বাহিনীর সন্ত্রাসী কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় গোলাম রসুল কলিকে প্রধান আসামী করে সন্ত্রাসী আফজালসহ ৭/৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার ৫দিন পার হয়ে গেলেও মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নিতে নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। একটি বড় প্রভাবশালী এতে সহযোগীতা করছে বলে জানতে পেরেছি। এছাড়া যে কোন সময় হত্যার শিকার হতে পারি আমরা। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই বাধ্য হয়ে রূপগঞ্জ থানায় এসে আশ্রয় চেয়েছি।

সোহেল কিরণের মা রওশন আরা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে তাদের বিচার চাই। আমার ছেলে কারো কোন ক্ষতি করেনি। ছোট নাতিটাকে যারা এতিম করতে চেয়েছে আল্লাহ তাদের বিচার করবো।

এএসপি (গ-সার্কেল) আবির হোসেন বলেন, সোহেল কিরণের বিষয়টি আমরা নিজের মনে করছি। অব্যশই তার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ